সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শেষবার খোলা হয়েছিল ১৯৮৪ সালে। তবে সে সময় সাতটি কক্ষের মধ্যে মাত্র তিনটিই খোলা হয়েছিল। বুধবার প্রত্যেকটি কক্ষের দরজা খোলা হবে। ভিতরে যাবেন ১০ সদস্যের বিশেষ দল। হাই কোর্টের নির্দেশে রক্ষণাবেক্ষণের উদ্দেশ্যেই পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভাণ্ডারের দরজা খোলা হবে তিন দশক পর।
[বিজেপি বিরোধিতার হাওয়া জোরদার, তৃণমূলের সঙ্গে বৈঠক চন্দ্রবাবুর]
এই রত্নভান্ডারের গহনা দিয়েই সাজানো হয় জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে। তবে এখানে বহিরাগতের প্রবেশ নিষিদ্ধ। তবে এখন মন্দিরের এ অংশের সংস্কার প্রয়োজন। সে কারণেই দশ সদস্যের দল গঠন করা হয়। শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (SJTA)-এর মুখ্য প্রশাসক পি কে জেনা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, দশ জনের এই দলে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগের দুই বিশেষজ্ঞ থাকবেন। পুরীর রাজা গজপতি মহারাজ দিব্যসিংহ দেবের তরফ থেকে একজন প্রতিনিধি থাকবেন। রত্নভাণ্ডারের কক্ষগুলির পরিকাঠামো খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। তবে গহনায় কেউ হাত দেবেন না।
[ইরাকে নিহতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর]
জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুরেই মন্দির চত্বরে ঢুকবেন ১০ সদস্যের ওই দল। সেই সময় পুরীর মন্দিরে পর্যটক ও সাধারণ ভক্তদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হবে। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার পার করেই রত্নভাণ্ডারে প্রবেশ করতে পারবেন বিশেষ সদস্যরা। তাঁদের শরীরে কোনও ধাতু কিংবা সঙ্গে কোনও ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রত্যেককে একটি মাত্র বস্ত্র (সম্ভবত গামছা) পরেই মন্দিরের ওই বিশেষ কক্ষে ঢুকতে হবে। শোনা যাচ্ছে, মন্দিরের যে স্থানগুলিতে বহুদিন ধরে কেউ প্রবেশ করেননি। সেই স্থান খতিয়ে দেখতে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে ঢুকতে পারে ১০ সদস্যের দলটি। সেখানে সরীসৃপের বাসও অস্বাভাবিক নয়। সে কথা মাথায় রেখেও কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
[ভুয়ো খবর নিয়ে পিছু হটল কেন্দ্র, মোদির নির্দেশে সিদ্ধান্তে বদল]