দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: ট্রেন থেকে আচমকা পড়ে গুরুতর আহত হলেন এক যাত্রী। গতকাল রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পাণ্ডুয়া ও সিমলাগড় স্টেশনের মাঝখানে। ডাউন বাগ এক্সপ্রেস থেকে লাইনে পড়ে যান তিনি। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার রাত সোয়া ১১টা নাগাদ পাণ্ডুয়া ও সিমলাগড়ের মাঝে হঠাৎই ট্রেন থেকে পড়ে যান ওই পুরুষ যাত্রী। কিন্তু ট্রেন থামিয়ে তাঁকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু ট্রেনের চালক তৎক্ষণাৎ সিমলাগড় স্টেশনে খবরটি জানিয়ে দেন। স্টেশন থেকে তখনই পাঠিয়ে দেওয়া হয় ইঞ্জিন। রেলকর্মীরা লাইনের পাশ থেকে উদ্ধার করেন তাঁকে।
[ পণের দাবিতে বধূকে খুনের অভিযোগ বাগদায়, গ্রেপ্তার শাশুড়ি ]
প্রথমে ওই যুবককে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয় পাণ্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে। তারপর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় গভীর রাতেই তাকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ব্যান্ডেল জিআরপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম সঞ্জয় পাত্র, বাড়ি সিমলাগড় বিটাসিন গ্রাম পঞ্চায়েতের তাঁতিপাড়ায়।
শুক্রবারই এমন একটি রেল দুর্ঘটনা ঘটে দিঘাগামী দুরন্ত এক্সপ্রেসে। এদিন বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ হাওড়া থেকে এক্সপ্রেস ছাড়ে৷ সেই সময় এটির এয়ারপ্রেশার পাইপটি খুলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনটি দাঁড়িয়ে যায়। ট্রেনটি দাঁড়িয়ে গেলে গার্ড নিচে নেমে এয়ারপ্রেশার পাইপটি খুঁজে বের করেন। তারপর নিজেই সেটি মেরামতের কাজ শুরু করেন। এ কাজ করতে গিয়ে তিনি ট্রেনের নিচে ঢোকেন। অনেক চেষ্টার পর এয়ারপ্রেশার পাইপের যে অংশটি খুলে যায়, সেই অংশটি জোড়া লাগান। জোড়া লাগানোর সঙ্গে সঙ্গেই কোনওরকম সংকেত ছাড়াই চালক ট্রেনটিকে চালিয়ে দেন। প্রথমে ওই গার্ড বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন৷ পরে ট্রেনের পাইপ ধরেই তিনি ঝুলে পড়েন। দৃশ্যটি দেখে রেল পুলিশের কর্মীরা চিৎকার শুরু করে দেন। ট্রেনটি প্রায় ১০০ মিটার দূরে এগিয়ে যায়। গার্ড সেই অবস্থাতেই ঝুলে কোনওমতে প্রাণে বাঁচেন।
[ বিসর্জনের ডিউটিতে গিয়ে আক্রান্ত দুই সিভিক ভলান্টিয়ার ]