সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিক্ষক ৩ জন। কিন্তু পড়ুয়ার সংখ্যা মাত্র ১। এভাবেই চলছে স্কুল। নিয়ম মেনে প্রতিদিন স্কুলে আসছেন তিন শিক্ষিকা, রান্না হচ্ছে মিড-ডে-মিলও। ভাবছেন তো কোথায়? এই ছবি দক্ষিণ ২৪ পরগনা পাথরপ্রিতিমা বালিকা বিদ্যালয়ের।
পাথরপ্রতিমা বালিকা বিদ্যালয়ের পথ চলা শুরু ১৯৮৩ সালে। শুরু থেকেই আর পাঁচটি স্কুলের মতোই পড়ুয়া ছিল সেখানে। বছর বছর ভরতি হত খুদেরা। ভালভাবেই চলছিল লেখাপড়া। কিন্তু হঠাৎ বেশ কিছু শিক্ষিকা অবসর নেন। কয়েকজন বদলি নিয়ে চলে যান অন্যত্র। ফলে স্কুলে ধীরে ধীরে বদলাতে থাকে স্কুলের পরিবেশ। কমতে থাকে ছাত্রীর সংখ্যা। করোনার জেরে এক ধাক্কায় আরও অনেকটা কমেছে পড়ুয়া। বর্তমানে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা মাত্র এক। তবে খাতায় কলমে ওই স্কুলের ছাত্রী ৬ জন। কিন্তু একজনকে নিয়েই নিত্য চলে স্কুল। মিড-ডে মিল রান্নাও হয়।
[আরও পড়ুন: মরশুমের প্রথম কালবৈশাখীতে এক ধাক্কায় তাপমাত্রা কমল ৫ ডিগ্রি, আজ ফের ঝড়ের সম্ভাবনা]
তবে এ বিষয়ে কথা বলতে প্রথমে একেবারেই রাজি হননি শিক্ষিকা। যদিও শেষমেষ তিনিও জানিয়েছেন, স্কুলটা খোলা থাকুকু। এমনটাই চান তাঁরা প্রত্যেকে। স্থানীয়দেরও একটাই আরজি, বহু প্রাচীন এই স্কুল ফের পুরনো ছন্দে ফিরুক। কচিকাঁচাদের কোলাহলে ভরে উঠুক ক্লাসরুম।
[আরও পড়ুন: কালবৈশাখী এবং নন-ইন্টারলকিংয়ের জোড়া ফলা! শিয়ালদহ মেন শাখায় চূড়ান্ত ভোগান্তি রেলযাত্রীদের]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন