Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Kanchenjunga

একমাসে তৃতীয়বার জলপাইগুড়ি থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন! দেখুন ভিডিও

আনন্দে আত্মহারা স্থানীয়রা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২৩, ১৩:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২৩, ১৩:২৬

options
link
একমাসে তৃতীয়বার জলপাইগুড়ি থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন! দেখুন ভিডিও zoom

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: কার্তিক পুজোর সকালে বিরল মুহূর্তের সাক্ষী হলেন জলপাইগুড়ির বাসিন্দারা। সাতসকালে দেখা পেলেন কাঞ্চনজঙ্ঘার। একমাসে মোট ৩ বার ‘ঘুমন্ত বুদ্ধে’র দেখা পেয়ে আপ্লুত স্থানীয়রা।

কিছুদিন ধরেই বদলাতে শুরু করেছে আবহাওয়া। সকালে অনুভূত হচ্ছে শীতের শিরশিরানি। আবহাওয়ার এই বদলের মাঝেই চোখ মেলতেই কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন! কার্যত যেন স্বপ্ন সত্যি। শুক্রবার সকালে জলপাইগুড়ি শহর থেকেই দেখা মিলল কাঞ্চনজঙ্ঘার। প্রাত:ভ্রমণে বেরিয়ে হিমালয়ের শিখরের দর্শন পেয়ে আপ্লুত সকলেই। অপরূপ দৃশ্যকে ক্যামেরাবন্দি করলেন অধিকাংশই। জানা গিয়েছে, এদিন জলপাইগুড়ি শহর ও সংলগ্ন কয়েকটি জায়গা থেকে এই দৃশ্য দেখা গিয়েছে।  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বড় সাফল্য, একমাসে সবচেয়ে বেশি সেরিব্রাল স্ট্রোক রোগীর প্রাণ বাঁচিয়ে নজির বারুইপুর হাসপাতালের]

এলাকার বাসিন্দারা বলেন, “সাতসকালে এমন দৃশ্যের সাক্ষী হব ভাবিনি। মন ভরে গেল।” প্রসঙ্গত, গোটা কার্তিক মাস জুড়ে এই নিয়ে তৃতীয়বার জলপাইগুড়ি থেকে দেখা মিলল কাঞ্চনজঙ্ঘার। এর কারণ, শহরের দূষণর মাত্রা কিছুটা হলেও কমেছে বলেই মনে করছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা। জলপাইগুড়ি সায়েন্স অ্যান্ড নেচার ক্লাবের সম্পাদক ডাঃ রাজা রাউত জানান, বাতাসে দূষণের মাত্রা কম থাকায় অনেক বেশি স্বচ্ছ হয়েছে আকাশ। সেই কারণে শহর থেকে অনেক বেশি স্পষ্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা।

[আরও পড়ুন: কথা বলেন ঝরঝরে বাংলায়! শিলিগুড়িতে ধৃত পাকিস্তানি মহিলাকে নিয়ে ঘনাচ্ছে রহস্য]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.