সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনৈতিক সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। তৃণমূল ও বিজেপি সংঘর্ষে কোচবিহারের (Cooch Behar) মাথাভাঙায় ধুন্ধুমার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। এদিকে, বীরভূমের কাঁকরতলা থানার বাবুইজোড় পঞ্চায়েত এলাকায় চলল গুলি এবং বোমা। জখম একজন।
শুক্রবার রাজ্যে গণতন্ত্র বাঁচাও দিবসের ডাক দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। রাজ্যজুড়ে প্রায় ৮১টি বিডিও অফিসের সামনে ধরনায় বসে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। শুক্রবার ঠিক তেমনই কোচবিহারের মাথাভাঙাতেও চলছিল রাজ্যজুড়ে বিজেপির এই কর্মসূচি। চলছিল অবস্থান, বিক্ষোভ। অভিযোগ, বিক্ষোভে যোগ দিতে আসা বিজেপি সমর্থকদের গাড়ি ভাঙচুর করে তৃণমূলের কর্মীরা। কর্মসূচি শেষ হওয়ার পরই এই নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। চলে ব্যাপক বোমাবাজি ও গুলিও। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই দলেরই বেশ কয়েকজন।
[আরও পড়ুন: দুর্যোগ কাটিয়ে জালবন্দি প্রায় ৩৫০০ টন ইলিশ, কিছুটা স্বস্তিতে মৎস্যজীবীরা]
কোচবিহারের পাশাপাশি রাজনৈতিক সংঘর্ষে শুক্রবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বীরভূমের (Birbhum) কাঁকরতলা থানার বাবুইজোড় পঞ্চায়েত এলাকা। চলল গুলি। বোমা। জখম হল একজন। বোমার আঘাতে ভাঙল পঞ্চায়েত সমিতির চারচাকা গাড়ি। ভাঙল বাবুইজোড় প্রধান-সহ বেশ কয়েকজনের বাইক। তৃণমূল নেতা আবদুর রহমান অভিযোগ করেন, তাঁর দলেরই উজ্জ্বল কাদেরী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। উজ্জ্বল কাদেরি ও তাঁর অনুগামী মৃণাল ওরফে কেদার ঘোষ অভিযোগ করেন, এটা গ্রাম্য বিষয়। এলাকা উন্নয়নের নামে রাজনীতি করছে প্রধান। তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল যদিও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টি উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, “এর পিছনে যারাই থাকুক পুলিশকে বলেছি উপযুক্ত শাস্তি দিতে।” জেলা পুলিশ সুপার শ্যাম সিং জানান, এলাকায় পুলিশি তল্লাশি চলছে।