চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা ও আদর্শ নির্বাচনীবিধি লাগু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যানার, হোর্ডিং, খুলে ফেলার ও মুছে ফেলার কাজ শুরু করার কথা জেলা প্রশাসনের। ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণার পরেই চালু হয়ে গিয়েছে নির্বাচন আচরণবিধি৷ কিন্তু দু’দিন পেরিয়ে গেলেও শহরজুড়ে নরেন্দ্র মোদি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া হোর্ডিং এখনও রয়েছে। কন্যাশ্রী, সুবজসাথী, সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ প্রকল্পগুলিতে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। একইভাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রয়েছে নরেন্দ্র মোদির ছবি। বিশেষ করে শহরের পেট্রল পাম্পগুলিতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ছবি-সহ মোদির ছবি দেখা যাচ্ছে। জামুড়িয়া রানিগঞ্জ এলাকায় এই দৃশ্যের দেখা যাচ্ছে এখনও।
প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার বিজ্ঞাপনে রয়েছে মোদির ছবি। দু’নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর জামুড়িয়া নিঘা মোড়ে একটি পেট্রল পাম্প চত্বরে নরেন্দ্র মোদির ছবি দেওয়া বিশালাকার ওই হোর্ডিংটি বুধবারও সরানো হয়নি। শুধু মোদি নয় সড়ক জুড়ে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফের সরকারি বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর মুখের ছবি। জামুড়িয়া রানিগঞ্জের রাজ্য সড়ক এবং জাতীয় সড়ক এমনকি সরকারি অফিসের বাইরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রয়েছে এখনও।
রবিবার বিকেলে নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে ভোটের দিন ঘোষণা করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। তিনি জানিয়েছিলেন নির্বাচন ঘোষণার পর রাত থেকেই আদর্শ নির্বাচনীবিধি লাগু হয়ে যাবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচারমূলক সমস্ত কিছু সরিয়ে ফেলা হবে৷ কিন্তু অন্য জেলায় হোর্ডিং ব্যানার সরানো হলেও পশ্চিম বর্ধমানে এখনও সেরকম কোনও তৎপরতা দেখা যায়নি৷ যদিও জেলাশাসক জানিয়েছেন হোর্ডিং সরানোর কাজ শুরু হয়েছে৷ ধীরে ধীরে সব হোর্ডিং ঢেকে ফেলা হবে বা সরিয়ে দেওয়া হবে৷