Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিজয়া দশমীতে ফের রাজ্যে অস্ত্র মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে গেরুয়া শিবির

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাধা দিলে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি...

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০১৭, ১১:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০১৭, ১১:১৮

options
link
বিজয়া দশমীতে ফের রাজ্যে অস্ত্র মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে গেরুয়া শিবির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রামনবমীর পর ফের একবার অস্ত্রের ঝনঝনানি শুনতে চলেছে এই রাজ্য। আসন্ন দুর্গাপুজোর বিজয়া দশমীতে রাজ্য জুড়ে ‘শস্ত্র পুজো’র আয়োজন করতে চলেছে গেরুয়া শিবির। তবে এখনই গোটা পরিকল্পনার কথা খোলসা করছেন না হিন্দু নেতারা। তবে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, বিজয়া দশমীর ‘শস্ত্র পুজো’য় কাস্তে, তরবারি তো বটেই, এমনকী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়েও মিছিল বের করা হবে।

গত ৫ এপ্রিল হনুমান জয়ন্তী, রামনবমীর অস্ত্র মিছিলের সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়েই ‘শস্ত্র পুজো’য় ফের ওই একই ধাঁচের মিছিল বের করার কথা ভাবছেন উদ্যোক্তারা। হনুমান জয়ন্তীর দিন কয়েকশো যুবকের উপস্থিতিতে হিন্দু নেতারা তরবারি-সহ অন্যান্য অস্ত্র হাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির অদূরে ভবানীপুরে মিছিল করেন। মনে রাখতে হবে, মহরমেও এরকম মিছিল দেখা যায় এই শহরে। কারবালার যুদ্ধকে স্মরণ করে শিয়া সম্প্রদায়ের মুসলিমরা অস্ত্র হাতে শোকমিছিল করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[এসি চালিয়ে দিনযাপনে বাধা, স্বামীকে পেটাল স্ত্রী]

মিছিলটির আয়োজন করছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। এই রাজ্য, ওড়িশা, সিকিম ও আন্দামানের সাংগঠনিক সম্পাদক শচীন্দ্রনাথ সিংহ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী যদি এই মিছিলকেও বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত তাঁদের সংগঠন। তিনি বলছেন, ‘বিজয়া দশমীতে মিছিল করার পরিকল্পনা আমাদের আগেও ছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার প্রতিবারই বাধা দিয়ে এসেছে। তরবারি নিয়ে মিছিল কেন নিষিদ্ধ হবে? লাইসেন্স রয়েছে এমন আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মিছিলও থামানো উচিত নয়।’

প্রতিবারই দেশের নানা প্রান্তে আরএসএস ও ভিএইচপি-র মতো হিন্দু সংগঠনগুলি শস্ত্র মিছিল বের করে। পুজোর সময় আগ্নেয়াস্ত্র-সহ মিছিল করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দল একাধিকবার বিতর্কেও জড়িয়েছে। তবে একথা ঠিক যে, এই রাজ্যে ‘শস্ত্র পুজো’ কখনওই খুব একটা জনপ্রিয় ছিল না। বরং বিজয়া দশমীতে বাঙালিদের মধ্যে সিঁদুরখেলার প্রচলনই বেশি। খাস কলকাতায় অস্ত্র হাতে মিছিল এর আগে খুব একটা দেখা যায়নি। তবে আসানসোল, খড়গপুর, দুর্গাপুর ও বার্নপুরের কিছু এলাকায় যেখানে হিন্দি ভাষাভাষী মানুষের বাস রয়েছে, সেখানে অস্ত্র হাতে মিছিল খুব একটা অপরিচিত নয়। এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) অনুজ শর্মা অবশ্য জানিয়েছেন, এই বিষয়ে পুলিশের কাছে বিশেষ কোনও তথ্য নেই। তবে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।

২০১৬-তে বিজয়া দশমী ও মহরমে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে গোষ্ঠীসংঘর্ষের খবর এসেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, অস্ত্র মিছিলকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করে রাজ্য রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হতে চাইছে বিজেপি। গত এপ্রিল মাসে রামনবমীতে অস্ত্র মিছিলে তরবারির প্রদর্শনে ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, বেআইনিভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে ঝামেলা পাকাতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

[পুর স্কুলগুলিতে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক, প্রস্তাব পাশ বিএমসিতে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.