Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬

তাক লাগাচ্ছে সাঁইথিয়ায় পলিথিন দিয়ে জমি মুড়ে অভিনব চাষ

প্লাস্টিক দিয়ে পুরো জমি ঢেকে ফেলেও কী ভাবে বিপুল ফলন সম্ভব হচ্ছে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০১৯, ১৯:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০১৯, ১৯:৩০

options
link
তাক লাগাচ্ছে সাঁইথিয়ায় পলিথিন দিয়ে জমি মুড়ে অভিনব চাষ zoom

স্টাফ রিপোর্টার: গতবছর ইজরায়েল বেড়াতে গিয়েছিলেন সাঁইথিয়ার অরুণ সারদা৷ অনেক কিছু ঘুরে দেখলেও মনে লেগে গিয়েছিল জমিতে অভিনব কায়দায় সেচ পদ্ধতি৷ তখন থেকেই তাঁর মনে ঘুরপাক খাচ্ছিল, কী করে নিজের জমিতে এই সেচ পদ্ধতি প্রয়োগ করবেন৷ বাড়ি ফিরে প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন৷ পুরো জমি প্লাস্টিকের আচ্ছাদনে ঢেকে গাছের গোড়ায় পাইপ লাইনের মাধ্যমে জল পৌঁছে দেওয়া৷ এইভাবেই একরের পর একর জমিতে ফলিয়েছেন কলা, ক্যাপসিকাম, টম্যাটো, পেঁপে, ফুলকপি, বাঁধাকপি৷ আর এই বিশেষ পদ্ধতিতে চাষ দেখতে সাঁইথিয়ার কৃষকরা তো বটেই, কৃষি দফতরের আধিকারিকরাও ভিড় জমাচ্ছেন অরুণ সারদার জমিতে৷
অরুণবাবু জানান, গোটা জমিটাকে প্রথমে পলিথিন দিয়ে মুড়ে ফেলতে হবে৷ নির্দিষ্ট দূরত্বে চারা গাছ বসানোর জন্য ফাঁক রাখতে হবে৷ প্রতিটি গাছের গোড়ায় পাইপের মাধ্যমে একটি করে ফুটোয় জল পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে৷ প্রতিদিন সকালে আধঘণ্টা করে মেশিন চালিয়ে পাইপ লাইনে জল ছাড়লে গাছের গোড়ায় জল পৌঁছবে৷ তাতে পুরো জমি জলে ভেজানোর প্রয়োজন নেই৷ অল্প জলেই চাষ করা যাবে৷ তাঁর বক্তব্য, আলু ও ধানের দাম না পেয়ে এ বছরই এই পদ্ধতিতে চাষ করা শুরু করেছেন৷ এবার বাইশশো কলা গাছের চারা বসিয়েছেন তিনি৷ লাগিয়েছেন দেড় হাজার পেঁপের চারা, কয়েক হাজার কপিও৷
অরুণের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, মাঠ ঢাকতে যে পলিথিনের চাদর ব্যবহার করছেন, তা কারখানায় বরাত দিয়ে তৈরি করিয়েছেন৷ কলার চারা এনেছেন গুজরাট থেকে৷ এই অভিনব পদ্ধতিতে চাষ দেখতে প্রচুর চাষি ভিড় করলেও জেলা কৃষি দফতরের মতে, অরুণ স্বচ্ছল পরিবারের হওয়ায় এভাবে ব্যয়বহুল পদ্ধতিতে চাষ করা সম্ভব হচ্ছে৷ যা সব কৃষকের পক্ষে সম্ভব নয়।
তবে এই ধরনের চাষ নতুন দিশা দেখাবে৷ জেলা কৃষি সহ-অধিকর্তা অমর মণ্ডল বলেন, এই ধরনের চাষ দেশের খুব কমজনই করেন৷ কারণ বিশেষ ফসল ছাড়া এই চাষ সম্ভব নয়৷ এই পদ্ধতিতে জমিতে মজুত জল বাতাসে উড়ে যায় না, জমিতে আগাছা জন্মায় না৷ মাটি ঢাকা থাকায় রোগের আক্রমণও কম হয়৷

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.