Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Shootout

সোনারপুরে শুটআউট, গভীর রাতে বন্ধুর বাড়ি থেকে উদ্ধার যুবকের রক্তাক্ত দেহ

ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার ২ রাউন্ড গুলি ও গুলির খোল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০২২, ১০:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০২২, ১০:৩৫

options
link
সোনারপুরে শুটআউট, গভীর রাতে বন্ধুর বাড়ি থেকে উদ্ধার যুবকের রক্তাক্ত দেহ zoom

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: সোনারপুরে শুটআউট (Shootout at Sonarpur)। গভীর রাতে কামরাবাদ এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার এক যুবকের দেহ। তাঁর হাতে ও পেটে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ২ রাউন্ড গুলি, গুলির খোল। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, খুব কাছ থেকে তাঁকে গুলি করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, বন্ধুদের মধ্যেই কেউ এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

জানা গিয়েছে, নিহত যুবকের নাম লাল্টু হাজরা। কামরাবাদ এলাকায় ময়ূখ ভট্টাচার্য নামে এক বন্ধুর বাড়িতে মাঝেমধ্যে গিয়ে থাকতেন লাল্টু। সেখানে তাঁরা বেশ কয়েকজন বন্ধু মিলেই থাকতেন। তবে শুক্রবার বন্ধুরা কেউ ছিল না। ময়ূখের বাড়িতে তিনি একাই ছিলেন। রাত সোয়া ১২টা নাগাদ বিশ্বজিৎ সরকার নামে এক বন্ধুর সঙ্গে কথা হয় তাঁর। তারপর আর কারও সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: মাস্কের কঠোরতার বিরুদ্ধে টুইটারে শুরু গণ ইস্তফা, ‘উদ্বিগ্ন নই,’ দাবি ধনকুবেরের]

বিশ্বজিতের দাবি, তিনি বাড়ি ফেরেন রাত ২টোর পর। আর ফিরেই শিউরে ওঠেন। দেখেন, ঘরের মধ্যে লাল্টুর রক্তাক্ত দেহ পড়ে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পুলিশে খবর দেন। সোনারপুর থানার পুলিশ ছুটে যায় কামরাবাদের ওই ঘটনাস্থলে। উদ্ধার করা হয় লাল্টুর দেহ। ঘটনাস্থল থেকে ২ রাউন্ড গুলি ও গুলির খোল উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক অনুমান, খুব কাছ থেকে লাল্টুর পেটে ও হাতে গুলি চালানো হয়। তাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

[আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়ায় মগজধোলাই আল কায়দার, ফেসবুক থেকে তথ্য চাইছে এসটিএফ]

কিন্তু কে বা কারা গুলি চালাল, সে বিষয়ে নিশ্চিত নয় লাল্টুর পরিবারের সদস্যরা। তাঁর ভাই পিন্টুর বক্তব্য, ”ওর কোনও শত্রু ছিল না, বন্ধু প্রচুর ছিল। সেই বন্ধুদের মধ্যে খুব কাছের কেউ ওকে এভাবে মেরেছে। অনেক আগে পরিকল্পনা করে এই ঘটনা ঘটানো হয়। ওর ফোনও নিয়ে নেওয়া হয়েছিল। দাদার একটা আঙুল ভেঙে গিয়েছে। মেঝেতে কোনও রক্তের দাগ নেই, সব বিছানায়।” পিণ্টুর অভিযোগের ভিত্তিতে মৃতের বন্ধুদের সন্দেহের তালিকায় রেখে তদন্ত শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। ছেলের এমন মর্মান্তিক পরিণতি কিছুতেই মানতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। বাড়িতে এখন কান্নার রোল।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.