নিজস্ব সংবাদদাতা, বারাকপুর: মাকে গলা টিপে খুন করল ছেলে। বরাহনগরের মিলনগড়ের বারুইপাড়া লেনের একটি আবাসনে থাকতেন অঞ্জনা চক্রবর্তী (৬২) ও তাঁর ছেলে প্রদীপ (৪০)। কয়েক বছর আগে অঞ্জনাদেবীর স্বামী মারা গিয়েছেন। প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানান, কোনও কাজকর্ম করত না প্রদীপ। সে মানসিক রোগগ্রস্ত ছিল বলে জানান তাঁরা। ঘর থেকে খুব একটা না বেরলেও মাঝেমধ্যে এলাকায় দেখা যেত তাকে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা শ্যামা চট্টরাজ বলেন, ‘‘ছেলেটা মাঝেমধ্যে রাস্তায় বের হত। আমাদের সঙ্গেও ভাল করেই কথা বলত। কিন্তু মাঝে মধ্যেই শুনতাম অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।’’
প্রতিবেশীরা জানান, মাঝেমধ্যেই অঞ্জনাদেবীদের ঘর থেকে চেঁচামেচি শোনা যেত। অধিকাংশ সময়েই তাঁকে মারধর করত প্রদীপ। এ দিনও সন্ধ্যায় দু’জনের মধ্যে ঝগড়া বাধে। কিন্তু রোজকার ব্যাপার হয়ে দাঁড়ানোয় চেঁচামেচি শুনেও এ দিন আমল দেননি প্রতিবেশীরা। তবে রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ অবশ্য প্রদীপ নিজেই সকলে ডেকে জানায় সে তার মাকে গলা টিপে খুন করেছে। প্রতিবেশীরা গিয়ে দেখেন, ফ্ল্যাটের ঘরের মেঝেতে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছেন বৃদ্ধা। পুলিশ এসে ওই বৃদ্ধাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ তাঁর ছেলেকে গ্রেফতার করেছে।