Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
SSC

আচমকা অসুস্থতায় মৃত্যু! প্রস্তুতি নিয়েও SSC-তে বসা হল না চাকরিহারা শিক্ষকের

চাকরি হারানোর পর টিউশন পড়ানো শুরু করেছিলেন মৃত শিক্ষক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৫, ২০:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৫, ২০:১৩

options
link
আচমকা অসুস্থতায় মৃত্যু! প্রস্তুতি নিয়েও SSC-তে বসা হল না চাকরিহারা শিক্ষকের zoom
প্রতীকী ছবি

সৈকত মাইতি, তমলুক: আচমকা অসুস্থতায় মৃত্যু! প্রস্তুতি নিয়েও এসএসসিতে বসা হল না সুপ্রিম রায়ে চাকরিহারা শিক্ষক সন্তোষকুমার মণ্ডলের। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার মেছোগ্রামে। ভবিষ্যৎ কী? ভেবেই আঁতকে উঠছেন পরিবারের সদস্যরা।

জানা গিয়েছে, মৃত শিক্ষকের নাম সন্তোষকুমার মণ্ডল(৪০)। পাঁশকুড়ার কেশাপাটের আড়িশাণ্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন তিনি। পাঁশকুড়ার শ্যামসুন্দরপুর পাটনা খাজুরি এলাকার বাসিন্দা হলেও চাকরি সূত্রে তিনি মেছোগ্রাম এলাকাতেই সপরিবারে বসবাস করতে শুরু করেছিলেন। ব্যাংক থেকে মোটা অংকের ঋণ নিয়ে মেছোগ্রামে দোতালা পাকা বাড়ি নির্মাণ করেছিলেন। সেসম্প্রতি সুপ্রিম রায়ে চাকরি হারিয়েছেন ২৬ হাজার শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন সন্তোষ। সংসার চালাতে বাড়তি প্রাইভেট টিউশন পড়ানো শুরু করেন তিনি। সেই সঙ্গেই রাত জেগে নতুন করে এসএসসির নিয়োগ পরীক্ষায় বসার জন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। তাতেই সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পরিবারের দাবি, অনিয়মিত ঘুম এবং নাওয়া খাওয়া ত্যাগ করে দেওয়ায় শরীর ভাঙতে শুরু করেছিল সন্তোষের। দিন কয়েকআগে শুরু হয় পেটে অসহ্য যন্ত্রণা। তাঁকে মেছোগ্রামের একটি হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়। এরপর অবস্থার অবনতি হলে কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে রেফার করা হয়। আর সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাতে সন্তোষের মৃত্যু হয়। পরিবারের দাবি, চাকরি চলে যাওয়ায় মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন যুবক। তার জেরেই এই পরিণতি। কান্নায় ভেঙে পড়ে মৃতের স্ত্রী বলেন, “আমার স্বামী ২০১৬-এর প্যানেলে ৯৩ র‍্যাঙ্ক করে স্বচ্ছভাবে চাকরি পেয়েছিলেন। কিন্তু নিয়োগ দুর্নীতির জন্য আজ তাঁকে অকালে চলে যেতে হল। অতিরিক্ত মানসিক চাপ নিয়ে একদিকে স্কুলের ডিউটি অন্যদিকে পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা ঘুমানোর সুযোগ পেত। ছোট দুই মেয়েকে নিয়ে আমি যে একেবারে অথৈ জলে পড়লাম, এর দায় কে নেবে!”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.