ব্রতদীপ ভট্টাচার্য, বারাসত: লোকাল ট্রেনে পাথর হামলা। জখম হয়ে হাসপাতালে ভরতি এক মহিলা যাত্রী। তাঁর পায়ে গুরুতর চোট রয়েছে বলে হাবড়া হাসপাতাল সূত্রে খবর। কে বা কারা ট্রেনে পাথর ছুঁড়ল, সে বিষয়ে এখনও অন্ধকারে পুলিশ। দোষীদের নাগালে পেতে শুরু হয়েছে তদন্ত।
শুক্রবার সন্ধেবেলা মধ্যমগ্রাম থেকে শিয়ালদহ-বনগাঁ আপ মাতৃভূমি লোকালে উঠেছিলেন শিল্পী মণ্ডল নামে এক মহিলা। তিনি গুমার বাসিন্দা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, তিনি ট্রেনের দরজার সামনে দাঁড়িয় কথা বলছিলেন আরেকজন মহিলার সঙ্গে। ট্রেনটি বারাসত পেরনোর পর কারশেডের কাছে আচমকাই ট্রেনের মহিলা কামরার দিকে ধেয়ে আসে পাথরের টুকরো। তাতেই জখম হন শিল্পী মণ্ডল। তাঁর পায়ে আঘাত লেগে রক্ত বেরতে থাকে। তাঁকে দেখে অন্যান্য যাত্রীরা সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন। কিন্তু বারাসত থেকে হাবড়ার মধ্যবর্তী স্টেশন অর্থাৎ বামনগাছি, বিড়া, গুমা, অশোকনগর নেমে হাসপাতালে ভরতি করার কোনও সুযোগ ছিল না। কারণ, এই স্টেশন লাগোয়া কোথাও কোনও বড় হাসপাতাল নেই। তাই ট্রেনের কামরার মধ্যেই তাঁর শুশ্রূষা করা হয়।
[আরও পড়ুন:পরীক্ষকের কাছে পৌঁছনোর আগেই হারিয়ে গেল মাধ্যমিকের খাতা, কাঠগড়ায় শিক্ষক]
এরপর হাবড়া স্টেশন এলে সেখানে তাঁকে নামিয়ে ভরতি করানো হয় হাবড়া হাসপাতালে। চিকিৎসকরা তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষার পর জানান যে চোট গুরুতর। ফলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া যায়নি। তবে কে বা কারা এই ঘটনার পিছনে রয়েছে, চলন্ত ট্রেনে কারা পাথর ছুঁড়ল, সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনায় আবারও লোকাল ট্রেনের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল। কীভাবে চলন্ত ট্রেনে পাথর হামলা হল, সেই উত্তর খুঁজছেন নিত্যযাত্রীরা।