রাজা দাস, বালুরঘাট: আদালত চত্বর থেকে পালাতে গিয়ে কাল হয়েছিল অচল বাইক৷ বোমা-গুলি ছুঁড়ে চম্পট দিতে গিয়ে পুলিশের জালে ধরা পড়তে হয়েছিল কর্ণ বেরাকে৷ এবারও ঠিক একই কায়দায় টোটোয় উঠে পাতালে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও সিঁধেল চোর৷ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট আদালতের এজলাস থেকে চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করছিল অভিযুক্ত বিধান সরকার। কিন্তু পালাতে গিয়ে অন্য কিছু না মেলায় ভরসা করতে হয় টোটোর উপর। কিন্তু ধীরগতির বাহনে রক্ষা হয়নি, তাঁকে ধরে ফেলল পুলিশ৷ চোর-পুলিশের কীর্তিতে হুলস্থুল কাণ্ড দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট আদালত চত্বরে৷
[ঘন কুয়াশায় বিপত্তি, পূর্ব মেদিনীপুরে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল পথচারীর]
জানা গিয়েছে, বালুরঘাট জেলা আদালতের এজলাসে অসুস্থ হয়ে পড়েন এক বিচারাধীন বন্দি। অসুস্থ বন্দিকে শুশ্রূষায় ব্যস্ত হয়ে ওঠেন পুলিশ কর্মীরা৷ সুযোগ বুঝে অভিযুক্ত ওই যুবক এজলাস থেকে লাফ দিয়ে বেরিয়ে যায়। দৌড়ে বালুরঘাট হাই স্কুলের দিকে পালাতে থাকে৷ ততক্ষণে বিষয়টি নজরে আসে পুলিশের৷ তারাও পিছু নেয়৷ হাইস্কুল সংলগ্ন এলাকায় একটি টোটোয় ওঠার মুখে তাকে পিছন থেকে ধরে পুলিশ ও সিভিক কর্মীরা৷ ফের নিয়ে আসা হয় আদালতে। এদিকে আদালতের এজলাস থেকে যুবকের পালানোর খবর চাউর হতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়৷
[জঙ্গলে বাঘে-মানুষে লড়াই, সঙ্গীকে হারিয়ে কাতর দুই মৎস্যজীবী]
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের বাড়ি চকভৃগু বগুড়াপাড়া এলাকায়। মঙ্গলবার চুরির বিভিন্ন সামগ্রী তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়। স্থানীয়রা তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়৷ চুরির মামলায় বুধবার ধৃতকে বালুরঘাট জেলা আদালতে তোলা হয়৷ আদালতের এজলাসে অসুস্থ ব্যক্তির দিকে সকলে নজর দিতেই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে৷ গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছে বালুরঘাট থানার পুলিশ। এদিকে আদালতের এজলাস থেকে বন্দি পালানোর ঘটনা সামনে আসায় নিরাপত্তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
[ইরানে গৃহবন্দি থাকা বাংলার ১২ জন কর্মীকে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ সিআইডির]