সুজিত মণ্ডল, নদিয়া: রাতে জলসা চলাকালীন চাকদহে এক যুব তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালাল দুষ্কৃতীরা। সোমবার ভোরে কল্যাণীর একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃতের পরিবার ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, ওই যুবনেতাকে খুন করেছে কালু নামে এলাকারই এক দুষ্কৃতী। ঘটনার পর থেকে কালু বেপাত্তা।
[বগুলায় তৃণমূল নেতা খুন, তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি]
শীতে রাতে জলসার আসর বসেছিল চাকদহের পূর্বাচল গার্লস স্কুলের মাঠে। জলসার আয়োজন করেছিল স্থানীয় একটি ক্লাব। সেই ক্লাবের সম্পাদক ছিলেন নিহত শান্তনু শীল। এলাকায় যুব তৃণমূল নেতা হিসেবেও পরিচিত তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রবিবার রাতে তখন জলসায় গান গাইছিলেন এক শিল্পী, মঞ্চেই বসছিলেন ছিলেন ক্লাবের সম্পাদক ও তৃণমূল যুবনেতা শান্তনু। আমচকাই ভিড় ঠেলে মঞ্চের খুব কাছে চলে আসে কয়েকজন দুষ্কৃতী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই শান্তনুকে লক্ষ্য গুলি চালিয়ে চম্পট দেয় তারা। শাসকদলের ওই যুবনেতার বুকে গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রথমে শান্তনুকে নিয়ে যাওয়া হয় চাকদহ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। পরে শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে, স্থানান্তরিত করা হয় কল্যাণীর একটি হাসপাতালে। কিন্তু, শেষরক্ষা হয়নি। সোমবার ভোর রাতে মারা যান শান্তনু শীল। কিন্তু কারা এভাবে প্রকাশ্য জলসায় যুব তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন করল? ঘটনায় কালু নামে স্থানীয় দুষ্কৃতীর নাম উঠে এসেছে। তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব ও মৃতের পরিবারের অভিযোগ, শান্তনুকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল কালুই। ঘটনার পর থেকে বেপাত্তা সে।
[বছরভর অটুট থাকবে এই উপহার, ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে ‘সুপারহিট’ পাটের গোলাপ]
কয়েক মাসে আগে নদিয়ার বগুলায় দলীয় কার্যালয়ে এক তৃণমূল নেতাকে গুলি করেছিল দুষ্কৃতীরা। মৃত দুলাল বিশ্বাস বগুলা ১ নম্বর পঞ্চায়েতের প্রধান ও হাঁসখালি ব্লকের তৃণমূল সভাপতি ছিলেন। ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি।