বিপ্লবচন্দ্র দত্ত: প্রয়াত কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়র অবনীমোহন জোয়ারদার। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কলকাতার বাড়িতে প্রয়াত হন ৭৯ বছর বয়সী বিধায়ক। অনেকদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। শেষপর্যন্ত অসুখের সঙ্গে লড়াইয়ে হার মানলেন রাজ্যের প্রাক্তন কারামন্ত্রী অবনীমোহন জোয়ারদার। খবর পৌঁছতেই কৃষ্ণনগর উত্তরে এলাকাবাসীর মন খারাপ। টুইট করে সমবেদনা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।
Very sad at the passing away of party colleague, former Minister & two-time MLA from Krishnanagar Uttar, Abani Mohan Joardar after an illness bravely fought. Served well both in IPS, govt & party. Condolences to his family & friends
Advertisement— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) June 12, 2020
ছিলেন দুঁদে পুলিশকর্তা। অবসরের পর রাজনীতিতে আসা, তৃণমূলে যোগদান। অল্প দিনের মধ্যে রাজ্যের তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্ভরযোগ্য সৈনিক হয়ে ওঠেন অবনীমোহন জোয়ারদার। এরপর ২০১১ সালে তাঁকে বিধাননগর উত্তর কেন্দ্রের প্রার্থী করেন মমতা। হতাশ করেননি প্রাক্তন পুলিশকর্তা। প্রথমবারই প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করে বিধায়ক হন অবনীমোহন।
[আরও পড়ুন: গ্রামবাসীদের আগে আমফানের ক্ষতিপূরণের টাকা পেলেন কর্মাধ্যক্ষ, প্রতিবাদে বিক্ষোভ স্থানীয়দের]
২০১৬ সালের নির্বাচনী লড়াইয়ে ফের তাঁর উপরই ভরসা রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারও কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রে থেকে জয়ী হন অবনীমোহন জোয়ারদার। এবার তাঁকে আরও বড় দায়িত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী। দেওয়া হয় কারাদপ্তরের দায়িত্ব। কারামন্ত্রী হন অবনীমোহন জোয়ারদার। কিন্তু অসুস্থতার কারণে খুব বেশিদিন সেই দায়িত্ব সামলাতে পারেননি। ফলে দেড় বছরের মাথাতেই মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যহতি দেওয়া হয় তাঁকে। কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক অবনী জোয়ারদারের বদলে কৃষ্ণনগর দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক উজ্জ্বল বিশ্বাস হন রাজ্যের নতুন কারামন্ত্রী।
[আরও পড়ুন: এসি বিকল হওয়ায় বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পচছে দেহ, দুর্গন্ধে টেকা দায় রোগীদের]
কলকাতাতেই থাকতেন অবনীমোহন জোয়ারদার। নিজের নির্বাচিত এলাকায় অর্থাৎ কৃষ্ণনগরের উকিলপাড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে থেকে রাজনীতির কাজকর্ম করতেন। আজ ভোরে বিধায়কের প্রয়াত হওয়ার খবর সেখানে পৌঁছতেই শোকের ছায়া। কলকাতার বাড়িতেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা। দলের বর্ষীয়ান নেতার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব।