টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: দলবদলের কয়েক দিন আগে ফেসবুকে নাম না করে শাসকদলের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন।বাঁকুড়ায় জেলা সভাপতির উপস্থিতিতেই সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-র ছবিতে মালা পরিয়ে হরিবোল ধ্বনি তুললেন শাসকদলের কর্মী-সমর্থকরা! ঘটনায় বিতর্ক তুঙ্গে।
[ দলবদলের পুরস্কার, লোকসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থী হতে পারেন সৌমিত্র খাঁ]
২০১১ সালে বিধানসভা ভোটে জোট বেঁধে লড়েছিল কংগ্রেস ও তৃণমূল। সেবার বাঁকুড়ার কোতুলপুর থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ। পরে দল বদলে যোগ দেন তৃণমূলে। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটে জেলারই বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রে সৌমিত্রকে প্রার্থী করে শাসকদল। জিতেও যান তিনি। কিন্তু, ইদানিং দলের সঙ্গে আর তেমন যোগাযোগ রাখতেন না তৃণমূল কংগ্রেসের এই তরুণ সাংসদ। বরং ফেসবুকে নাম না করে শাসকদলের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি অরূপ খাঁ’-কেই আক্রমণ করেছিলেন সৌমিত্র। শুধু নয়, তলে তলে বিজেপি সঙ্গে তিনি যোগাযোগ রাখছিলেন বলে জানা গিযেছে। শেষপর্যন্ত অস্ত্র মামলায় আপ্ত সহায়ক গ্রেপ্তার হতেই, বুধবার দিল্লিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি যোগ দিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। দলবদলের পর খোদ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রীতিমতো বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তিনি। বিষ্ণুপুরের সাংসদকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল।
এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে বাঁকুড়ায় সৌমিত্র খাঁয়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে তৃণমূল কর্মীদের। বৃহস্পতিবার রানিবাঁধে ব্রিগেডের সমাবেশের একটি প্রচার সভার আয়োজন করেছিল শাসকদলের ব্লক নেতৃত্ব। সভায় হাজির ছিলেন জেলা সভাপতি অরূপ খাঁ-ও। সভামঞ্চে সদ্য দলত্যাগী সাংসদ সৌমিত্র খাঁ’র ছবিতে মালা পরিয়ে হরিবোল ধ্বনি তোলেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা।
দেখুন ভিডিও: