সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাতে সাত। রাজ্যের সাতটি পুরসভা নির্বাচনেই জিতল তৃণমূল কংগ্রেস। দুর্গাপুর, হলদিয়া ও কুপার্স ক্যাম্পে একটিও ওয়ার্ডে জিততে পারেনি বিরোধীরা। নলহাটি, ধুপগুড়ি, পাঁশকুড়া ও নবগঠিত বুনিয়াদ পুরসভায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে রাজ্যের শাসকদল। সাতটি পুরসভায় একটিও আসন পায়নি বামেরা।
[রাজ্যের সাত পুরসভার ভোটে বিক্ষিপ্ত গোলমাল, অভিযোগ শাসকের বিরুদ্ধে]
২০১২ সালে পুরভোটে বীরভূমের নলহাটি, পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর, পূর্ব মেদিনীপুরে পাঁশকুড়া ও জলপাইগুড়ি ধুপগুড়ি পুরসভা দখল করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া ও নদিয়ার কুপার্স পুরসভা ছিল বাম ও কংগ্রেসের দখলে। ২০১৩ সালে অবশ্য বিরোধী জোটে ফাটল ধরিয়ে এই দুটি পুরসভাও দখল করে নিয়েছিল তৃণমূল। আর দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদ পুরসভার এবারই প্রথম ভোট হল। কিন্তু, এবারের পুরভোটে বিরোধীদের দুরমুশ করে দিল তৃণমূল। ২৯ ওয়ার্ডের হলদিয়া পুরসভার ২৯টি ওয়ার্ডেই জিতেছে শাসকদলের প্রার্থীরা। বেশিরভাগ ওয়ার্ডে দ্বিতীয় স্থানে বিজেপি। আর বামেরা নেমে গিয়েছে তৃতীয় স্থানে।

বিরোধীশূন্য দুর্গাপুর ও কুপার্স ক্যাম্প পুরসভাও। কুপার্স ক্যাম্প পুরসভার ১২টি ওয়ার্ডই গিয়েছে তৃণমূল দখলে। একদা বামেদের দুর্গ বলে পরিচিত দুর্গাপুর পুরসভায়ও ৪৩টি ওয়ার্ডেই জিতেছেন শাসকদলের প্রার্থীরা । পাশাপাশি, নবগঠিত বুনিয়াদপুর, ধূপগুড়ি, নলহাটি ও পাঁশকুড়া পুরসভায়ও বোর্ড গড়ল তৃণমূল। ১৪ আসনের বুনিয়াদপুর পুরসভায় ১৩টি আসনে জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ১টিতে জয়ী হয়েছে বিজেপি। নলহাটি পুরসভার ১৪টি ওয়ার্ড তৃণমূলের দখলে। ১টি ওয়ার্ডে জিতেছে বামশরিক ফরওয়ার্ড ব্লক। আর একটি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছেন নির্দল প্রার্থী। পাঁশকুড়ায় ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৭টি ওয়ার্ডই গিয়েছে তৃণমূলের দখলে। একটি ওয়ার্ডে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থী। ১৬টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১২টি জিতে তৃণমূল পুরবোর্ড গড়েছে ধূপগুড়িতেও। চার ওয়ার্ড গিয়েছে বিজেপির দখলে।
[বাগুইআটিতে বিমান সেবিকার রহস্যমৃত্যু, আটক বান্ধবী-সহ ২]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন