নব্যেন্দু ঘোষ: প্রবল বৃষ্টির ফলে ছিঁড়ল ওভারহেডের তার। আর সেই কারণেই ব্যাহত শিয়ালদহ-হাসনাবাদ শাখার ট্রেন চলাচল। আপ ও ডাউন দু’টি শাখার ট্রেন চলাচল ব্যাহত। ঘটনায় দুর্ভোগে পড়েছে নিত্যযাত্রীরা।
গত কয়েকদিন থেকেই অকাল বর্ষণে ভাসছে কলকাতা ও শহরতলি। শুধু বৃষ্টি নয়, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হয়েছে ঝড়ও। ব্যতিক্রম ছিল না বৃহস্পতিবারও। এদিন ভোররাতে শহর ও শহরতলির বিভিন্ন জায়গায় ভারী বর্ষণ হয়। এর ফলেই ভোর পাঁচটা নাগাদ শিয়ালদহ-হাসনাবাদ শাখার কড়েয়া কদম্বগাছি ও ষণ্ডলিয়া স্টেশনের মাঝে ছিঁড়ে যায় ওভারহেডের তার। আপ ও ডাউন দুই দিকেই ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় এক ঘণ্টার উপর বন্ধ ছিল রেল পরিষেবা। বাতিল হয় কয়েকটি ট্রেনও। তবে পরিস্থিতি এখন আয়ত্ত্বের মধ্যে। একটা লাইন দিয়ে আপ ও ডাউন ট্রেন চলাচল করছে বলে খবর।
[ চ্যালেঞ্জের জন্য তৈরি থাকুন, পার্বত্য ‘ব্রহ্মাস্ত্র বাহিনী’কে নির্দেশ সেনা কমান্ডারের ]
ঘটনায় প্রবল সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন নিত্যযাত্রীরা। গন্তব্যস্থলে পৌঁছনোর জন্য অনেকেই সড়কপথের সাহায্য নিচ্ছেন। ওভারহেডের তার মেরামতির কাজ শুরু করেছেন রেলের কর্মীরা। পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। তবে সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হতে আরও কয়েকঘণ্টা সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার ভোরে কলকাতা ও জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বর্ষণ হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বিকেলের আগে পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।তারপর আকাশ ক্রমশ মেঘমুক্ত হবে। কারণ, যে নিম্নচাপ অক্ষরেখাটি বসন্তে অকালবর্ষণের জন্য দায়ী, সেটি এদিনই দুর্বল হয়ে পড়ছে। তবে দক্ষিণবঙ্গকে স্বস্তির বাণী শোনালেও উত্তরবঙ্গকে কিন্তু এখনও সবুজ সংকেত দেয়নি হাওয়া অফিস। বরং বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা।
[ পাচারের চেষ্টা বানচাল, চার আদিবাসী কিশোরকে উদ্ধার করল পুলিশ ]