Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

লক্ষ্য জনসংযোগ, পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামে রাত কাটালেন দুই তৃণমূল বিধায়ক

বাড়ি বাড়ি ঘুরলেন মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০১৯, ১৪:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০১৯, ১৪:৫৭

options
link
লক্ষ্য জনসংযোগ, পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামে রাত কাটালেন দুই তৃণমূল বিধায়ক zoom

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া:  গ্রামে রাত কাটালেন জেলার দুই তৃণমূল বিধায়ক। বাড়ি-বাড়ি ঘুরলেন মন্ত্রী ও জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতিও।  ‘দিদিকে বলো’-ই শুধু নয়, জনসংযোগ আরও মজবুত করতে গণপ্রচার কর্মসূচিতেও শামিল হয়েছেন শাসকদলের নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা।  তবে  প্রত্যন্ত গ্রামে রাত কাটানোর বিষয়টি অনেক বিধায়কই এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। এমনকী, অনেক জনপ্রতিনিধি আবার গণপ্রচার কর্মসূচিতে সেভাবে অংশ নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ।

[আরও পড়ুন: ‘দিদিকে বলো’র কায়দায় হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু জিটিএ’র, অভিযোগ শুনবেন বিনয় তামাংরা]

শনিবার পুরুলিয়ার বান্দোয়ানের সুপুডি গ্রামে রাত কাটান স্থানীয় বিধায়ক রাজীবলোচন সরেন। তাঁর সঙ্গে প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত ওই গ্রামেই ছিলেন বিধায়কের স্ত্রী প্রতিমা সরেনও।  তিনি আবার পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি বটে। জয়পুরের বিধায়ক শক্তিপদ মাহাতো রাতে ছিলেন ঝালদা দুই নম্বর ব্লকের চিতমু গ্রামে।  রবিবার পুরুলিয়া এক নম্বর ব্লকের ডিমডিহা গ্রামে যান পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো। রীতিমতো কাদা মাড়িয়ে বাড়ি বাড়ি সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগের কথা শুনেছেন মন্ত্রী।  শান্তিরাম মাহাতো বলেন,   ‘অভিনব কর্মসূচি নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরফলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও নিবিড় হবে।’  তবে গণপ্রচারে গিয়ে অবশ্য সাধারণ মানুষের না পাওয়া ও বঞ্চনার কথাই শুনতে হয় তৃণমূল কংগ্রেসে নেতা ও মন্ত্রীদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি ও দলের স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে বান্দোয়ানে সুপুডি গ্রামে গিয়েছিলেন বিধায়ক রাজীবলোচন সোরেন ও তাঁর স্ত্রী তথা জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি প্রতিমা সরেন।  বাড়ি বাড়ি গিয়ে সকলের সঙ্গেই কথা বলেন বিধায়ক। সমস্যা তালিকাভুক্ত করে সমাধানেরও আশ্বাস দেন। রাতে গ্রামেরই একটি বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া করেন বিধায়ক ও জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি।  মধ্যরাতে ফিরে যান সহ-সভাপতি। তবে রাতে সুপুডি গ্রামেই ছিলেন বান্দোয়ানের বিধায়ক রাজীবলোচন সরেন।  সকালে গ্রামে দলের পতাকা তুলে কর্মসূচি শেষ করেন তিনি।

ছবি: অমিত সিং দেও

[ আরও পড়ুন: সিপিএমের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে সুশান্ত ঘোষের, শোকজ করা হচ্ছে একসময়ের দাপুটে নেতাকে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.