শাহাজাদ হোসেন, ফরাক্কা: মনোনয়নের শেষ দিনেই মুখে জয়ের হাসি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রঘুনাথগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের ২ টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিতে জয়ী তৃণমূল। শাসকদল বিরোধীদের মনোনয়ন জমা দিতেই দেয়নি, দাবি সিপিএমের।
রঘুনাথগঞ্জের সেকেন্দ্রা ও গিরিয়া বরাবরাই সন্ত্রাস কবলিত এলাকা বলেই পরিচিত। শাসকদলের দাপট সেখানে বরাবরই। জানা গিয়েছে, গিরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট ১৪ টি আসন। আর পঞ্চায়েত সমিতির আসন সংখ্যা ৩। কোনও আসনেই মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বিরোধীরা। ফলত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছে তৃণমূল। এদিকে গিরিয়ার পাশেই সেকেন্দ্রা গ্রাম পঞ্চায়েতে আসন সংখ্যা ২৫। তার মধ্যে ১৬ টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল। পঞ্চায়েত সমিতির ২ টি আসনে জয়ী শাসকদল। ফলে ভোটের আগেই বিজয়ের আনন্দে মাতোয়ারা ঘাসফুল শিবির।
[আরও পড়ুন: মনোনয়ন দিতে পারেনি বিরোধীরা, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নন্দীগ্রাম, বজবজে জয়ী তৃণমূল]
প্রসঙ্গত, সন্ত্রাস কবলিত এই দুই এলাকায় বরাবরই বিরোধীরা কোনঠাসা। বাম জমানাতেও ওই আসনে দীর্ঘদিন বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পারেনি। পরে প্রণব মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে খানিকটা শান্তি ফিরেছিল এলাকায়। প্রার্থী দিত বিরোধীরাও। কংগ্রেস জয়ও পেয়েছিল। তবে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর ফের পুরনো পরিস্থিতি ফিরে এসেছে। মুর্শিদাবাদ জেলা সিপিএম সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সোমনাথ সিংহরায় বলেন, “গিরিয়া ও সেকেন্দ্রা সন্ত্রাস কবলিত এলাকা। কোনওদিনও বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পারেনি। সেকেন্দ্রেরা যেখানে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে সেখানও প্রার্থীকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।” যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল।