সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: নিত্যদিন খিটিমিটি। নিঃসন্তান হওয়ায় দিনরাত শাশুড়ির গঞ্জনার অভিযোগ। শাশুড়ি-বউমার রোজকার অশান্তি লেগেই থাকত। সেই ঝঞ্ঝাট থেকে মুক্তি পেতে শাশুড়িকে ‘খুন’ করলেন গৃহবধূ। রবিবার সকালে মহেশতলা থানায় এসে এ কথা জানিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন ওই মহিলা। যদিও পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সপা রায়পুরের ঘটনা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ রবিবার সকাল সোয়া ছটা নাগাদ ভারতী নস্কর(৫২) নামে এক গৃহবধূ মহেশতলা থানায় এসে কর্তব্যরত ডিউটি অফিসারকে জানান, তিনি তাঁর শাশুড়িকে খুন করেছেন। এর পরই আত্মসমপর্ণ করেন তিনি। পুলিশকে জেরায় ভারতী জানিয়েছেন, যমুনা নস্কর (৭৬) তাঁর শাশুড়ি। তাঁর সঙ্গে প্রায়শই বিবাদ লেগেই থাকতো। আজ সকালে সেই ঝগড়া তুমুল আকার নেয়। তার পরই চরম সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
[আরও পড়ুন: প্রার্থীর সামনেই তুলকালাম তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর, মন্দিরে ‘আশ্রয়’ নিয়ে মাথায় হাত কীর্তির]
মহেশতলা থানার পুলিশ সপা রায়পুরের বাড়ি থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে বেহালার বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা যমুনা দেবীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ভারতী নস্করের স্বামী গোপাল নস্করের কথা অনুযায়ী, নিঃসন্তান দম্পতির পরিবারে স্বামী-স্ত্রী এবং মা ছাড়া আর কেউই থাকত না। গোপাল বাবু বেসরকারি ব্যাটারি ফার্মে কাজ করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনো পর্যন্ত পুরো বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ, খুনের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।