Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

চাল, ডাল, আলুর মধ্যে রাখা ৩ কোটির মাদক! শুল্ক দপ্তরের জালে মহিলা পাচারকারী

উদ্ধার হওয়া মাদকের ওজন প্রায় ৬১০ গ্রাম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৩, ১৩:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৩, ১৩:৪৭

options
link
চাল, ডাল, আলুর মধ্যে রাখা ৩ কোটির মাদক! শুল্ক দপ্তরের জালে মহিলা পাচারকারী zoom
ছবি: প্রতীকী

অর্ণব আইচ: ঘরের ভিতর রাখা চাল, ডাল, আলু আর নিত্য প্রয়োজনীয় সব জিনিস। বোঝার উপায় নেই যে, তার মধ্যেই লুকিয়ে রাখা আছে মারাত্মক মাদক। এভাবেই হেরোইন পাচার করত দম্পতি। বুধবার ভোর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় তল্লাশি চালিয়ে শুল্ক দপ্তরের হাতে ধরা পড়ল এক মহিলা। ঝুমকি পাণ্ডে বসু নামে ওই মহিলার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে তিন কোটি টাকার হেরোইন।

শুল্ক দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনা বনগাঁ-সহ সীমান্তবর্তী এলাকার কয়েকটি গ্রামে পাচারের জন্য মাদক মজুত করা হয়েছে, এমন খবরই আসে শুল্ক দপ্তরের গোয়েন্দাদের কাছে। সেই খবরের ভিত্তিতে দেই মঙ্গলবার রাত থেকে বনগাঁর পূর্বপাড়ায় থানা দেন গোয়েন্দারা। শুল্ক দপ্তরের পি অ্যান্ড আই (সদর) বিভাগের পুলিশ সুপার সঞ্জয় কুমার, ইন্সপেক্টর দীপক কুমার ও এ আর রাওয়ের নেতৃত্বে একটি টিম অলোক পান্ডির বাড়ি খুঁজে বের করে। গোয়েন্দাদের কাছে খবর ছিল, উত্তর ২৪ পরগনার মাদক পাচার চক্রের সদস্য এক দম্পতির মদতেই ওই জেলায় চলছে মাদক পাচার। যদিও ভোররাতে তল্লাশি করতে গিয়ে জানা যায়, বাড়ি থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে অলোক। গোয়েন্দারা প্রথমে বাড়ির ভিতর খুঁজে কোথাও মাদক পাননি। এর পর যেখানে গৃহস্থালি জিনিসপত্র রাখা হয়, সেখানে তল্লাশি চালাতে শুরু করেন তারা। চাল, ডাল, আলু রাখার জায়গার মধ্যে থেকেই বেরিয়ে পড়ে একটি ব্যাগ। তার মধ্যে রাখা প্যাকেট থেকে উদ্ধার হয় ৬১০ গ্রাম হেরোইন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে রাজ্যপাল, দেখানো হল কালো পতাকা, উঠল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান]

ওই মাদক গোয়েন্দারা পরীক্ষা করে দেখেন, সেটি যথেষ্ট উচ্চ মানের। তার দাম অন্তত তিন কোটি টাকা। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন যে, উত্তর ভারত ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জায়গা থেকে আফিম, অ্যাসিটিক অ্যানহাইড্রাইড ও আরও কিছু রাসায়নিক জোগাড় করে ঘরোয়া পদ্ধতিতেই তৈরি করা হয় হেরোইন। আবার অনেক সময় বিদেশ থেকেও উত্তর-পূর্ব ভারতের সীমান্ত পার হয়ে তা চলে আসে কলকাতার দিকে। কলকাতা থেকে উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তবর্তী এলাকা হয়ে তা পাচার হয় বাংলাদেশে। এই মাদক এভাবেই বাংলাদেশের বাঁচার করা সব হয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। যদিও জেরার মুখে ঝুমকির দাবি, ঘুরপথে ওই মাদক এসেছিল বাংলাদেশ থেকে। সেই মাদক কলকাতা বা অন্য রাজ্যে পাচার করার কথা ছিল, এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ওই মহিলাকে জেরা করে এই চক্রের মাথাদের খোঁজা হচ্ছে বলে জানিয়েছে শুল্ক দপ্তর।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.