নিজস্ব সংবাদদাতা: তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ও তাঁর চার বছরের ছেলেকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগে উত্তপ্ত হুগলি। ঘটনার আকস্মিকতায় গোটা গ্রামে উত্তেজনা ছড়ায়। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটে হুগলির বলাগড় থানার সিজা কামালপুর পঞ্চায়েতের ঢাকছাড়া গ্রামে। মৃতা মন্দিরা ঘোষ (২৫) ও তাঁর ছেলে রাজদীপকে (৪) প্রতিবেশীরা ঘরের ভিতর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁদের মৃত্যু হয়।
[ব্যাঙ্ককর্মীকে চড় মারার হুমকি রাজ্যের মন্ত্রীর, ভাইরাল ভিডিও]
মৃতার স্বামী স্বপন ঘোষ চাষবাস করেন। এদিন সকালে স্বপন নিজের জমিতে চাষ করার জন্য বেরিয়ে যান। বাড়িতে সে সময় গৃহবধূর শাশুড়ি, ভাসুর ও জা ছিলেন। গ্রামবাসীরা জানান, হঠাৎ বাড়ির ভিতর থেকে মা ও ছেলের চিৎকার শুনতে পান তাঁরা। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন বাড়ির ভিতর থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছে। ঘরের দরজা খুলে মা ও ছেলেকে আগুনে জ্বলতে দেখে গ্রামবাসীরাই উদ্ধার করে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় দুপুরে দু’জনকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁদের মৃত্যু হয়। মাঝ রাস্তা থেকেই মৃতদেহ দু’টি চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয় ময়নাতদন্তের জন্য।
[মুকুল রায়ের নতুল দলেই কি এবার ঋতব্রত?]
মন্দিরার বাবা হরেন ঘোষের অভিযোগ, তাঁর মেয়ে ও নাতির উপর শাশুড়ি, ভাসুর ও জা অত্যাচার করত। সোমবার গন্ডগোল হয়। হরেনবাবু জানান, জামাই ভাল হলেও কোনও অন্যায়ের প্রতিবাদ করত না। গৃহবধূর মামা পরেশ ঘোষের অভিযোগ, ভাগনির ছেলে হওয়ার পর থেকেই জা, শাশুড়ি তাঁর উপর অত্যাচার শুরু করে। কন্যা সন্তান হওয়ায় জা ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে মন্দিরা ও তাঁর ছেলের উপর অত্যাচার করত বলে অভিযোগ। মৃতার পরিবার ও গ্রামবাসীদের অভিযোগ, মন্দিরা ও তাঁর ছেলে রাজদীপকে শ্বশুর বাড়ির লোকজন পুড়িয়ে মেরেছে। তবে এই ঘটনায় এপর্যন্ত বলাগড় থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।
[ফেসবুক করায় আপত্তি, দাদার বকুনিতে আত্মঘাতী ছাত্রী]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন