Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Keshpur

চুরির প্রতিবাদ করায় শ্লীলতাহানির ‘হুমকি’, হেডস্যরকে পালটা মার মহিলাদের! আসরে নামল বিডিও

গোটা ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৫, ১৬:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৫, ১৬:৪১

options
link
চুরির প্রতিবাদ করায় শ্লীলতাহানির ‘হুমকি’, হেডস্যরকে পালটা মার মহিলাদের! আসরে নামল বিডিও zoom
প্রতীকী কপি।

সম্যক খান, মেদিনীপুর: মিড ডে মিলের চাল চুরির অভিযোগ উঠেছিল প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা। সে সময় ওই শিক্ষক মহিলাদের শ্লীলতাহানির হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। তারপরই যেন আগুনে ঘি পড়ে। মহিলারা ওই শিক্ষককে দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে নিয়ে যান বলে অভিযোগ। ওই শিক্ষক রাস্তায় পড়ে গেলেও রেয়াত করা হয়নি! সোমবার এই ঘটনা ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত মণ্ডলিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ঘটনা জানাজানি হতে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। ঘটনার কথা জানতে পেরে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এলাকার বিডিও কৌশিক রায়।

জানা গিয়েছে, ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নাম বিশ্বজিৎ গুইন। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ আছে তাঁর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, স্কুলের মিড ডে মিলের রান্নায় নিম্নমানের সবজি দিতে ওই শিক্ষক বাধ্য করতেন বলেও অভিযোগ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের। ক্ষোভ থাকলেও মহিলারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারতেন না। গতকাল প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাল চুরির অভিযোগ ওঠে। এরপরই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেন ওই মহিলারা। অভিযোগ, ওই শিক্ষক মহিলাদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। শুধু তাই নয়, শ্লীলতাহানি করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরপরেই প্রধান শিক্ষকের উপর চড়াও মহিলারা। ওই শিক্ষককে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। শুধু তাই নয়, তাঁকে ধরে বেশ কিছুটা টেনে রাস্তাতে নিয়ে আসা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার কথা জানার পরে কেশপুর থানার পুলিশ সেখানে গিয়ে ওই শিক্ষককে উদ্ধার করে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের দাবি, অবিলম্বে ওই শিক্ষককে অপসারণ করতে হবে। গতকালের পর আজ মঙ্গলবার ওই এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। প্রধান শিক্ষককে ওই স্কুল থেকে অপসারণের দাবিতে এখনও সরব স্থানীয়রা। যদিও গতকালের ঘটনা নিয়ে এদিন দুপুর পর্যন্ত পুলিশের কাছে কোনও পক্ষই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি বলে খবর।

আজ মঙ্গলবার ওই প্রধান শিক্ষক স্কুলে এসেছেন। তবে গতকালের বিষয় নিয়ে কোনও কথাই বলতে চাননি তিনি। যদিও ঘটনার কথা জানতে পেরেছেন এলাকার বিডিও কৌশিক রায়। মিড ডে মিলে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে গোটা ঘটনার তদন্তের জন্য তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। যুগ্ম বিডিও সৌমিক সিংহকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে খবর। 

 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.