নিজস্ব সংবাদদাতা: ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করা হল এক যুবককে। শুক্রবার রাত ৯টা নাগাদ সুমিত বোস (৩৫) ওরফে বিজয়কে ডেকে নিয়ে যায় তাঁর বন্ধু তাপস সরকার ওরফে পচা। ঘোলা থানার বিদ্যাসাগরপল্লি এলাকায় সুমিতের বাড়ি থেকে তাঁকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। তাপস একটি গাড়ির চালক। সে তার নিজের গাড়িতে করেই সুমিতকে নিয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ আগরপাড়ার উসুমপুর বটতলার কাছে বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি থামিয়ে দেয় তাপস। অভিযোগ, সেইসময়ই এলাকার দুষ্কৃতী বিল্লু বণিক ও তার দলবল সুমিতের উপর চড়াও হয়। সুমিতকে গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এর পর ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে সুমিতকে খুন করা হয়। এই ঘটনার পরই সুমিতের বন্ধু তাপস ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
[সন্দেহের বশে স্ত্রীকে বিবস্ত্র করে মার, পলাতক স্বামী]
গুরুতর আহত অবস্থায় সুমিতকে প্রথমে পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতাল ও পরে সাগর দত্ত হাসপাতালে নিয়ে গেলে শনিবার ভোরে সুমিতের মৃত্যু হয়। সুমিতের দাদা অমিত বোসের অভিযোগ, বিল্লুর দাদা বাবুন খুনের ঘটনায় তাঁদের দুই ভাইয়ের নাম জড়িয়েছিল। ২০০৮ সালে সেই খুনের ঘটনায় অমিত ও সুমিত ৬ মাস জেলও খাটে। তাঁরা জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরই বিল্লু তাঁদের হুমকি দিতে থাকে বলে অভিযোগ। সেই বিল্লুই শুক্রবার রাতে দলবল নিয়ে এসে সুমিতকে খুন করে বলে অভিযোগ। অমিতের আরও অভিযোগ, বিল্লুর হুমকির জেরে একসময় তাঁরা আগরপাড়ার উসুমপুর থেকে বিদ্যাসাগরপল্লিতে চলে যান। তাঁরা আগরপাড়ার উসুমপুরেই থাকতেন। ঘোলা থানার পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সুমিতের সঙ্গে পুরোনো শত্রুতার জেরে খুন কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি সুমিতের বন্ধু তাপস তাঁকে রাতে কেন উসুমপুরে নিয়ে গিয়েছিল তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর কেনই বা সে পালাল তা জানার চেষ্টা করছে ঘোলা থানার পুলিশ।
[নজরে চিন, পানাগড়ে শুরু রাত যুদ্ধের মহড়া]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন