Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
মমতা

করোনা মোকাবিলায় রাজ্যের ভূমিকা ‘সন্তোষজনক’, প্রশংসায় পঞ্চমুখ কেন্দ্র

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফোন কথা প্রধানমন্ত্রী, অমিত শাহের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২০, ০৯:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২০, ০৯:৫৩

options
link
করোনা মোকাবিলায় রাজ্যের ভূমিকা ‘সন্তোষজনক’, প্রশংসায় পঞ্চমুখ কেন্দ্র zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে গোটা বিশ্ব। পিছিয়ে নেই ভারতও। করোনা মোকাবিলায় তৈরি রাজ্যও। আর রাজ্যবাসীর সেই লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রীতিমতো রাস্তায় নেমে আমজনতার পাশে দাঁড়াচ্ছেন তিনি। লকডাউন থেকে কোয়ারেন্টাইন, চিকিৎসা সরঞ্জাম থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহ-সর্বক্ষেত্রেই তাঁর সজাগ দৃষ্টি। এবার তাঁর সেই ভূমিকা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করল কেন্দ্র সরকারও। জানিয়ে দিল, ‘করোনা রুখতে রাজ্যের ভূমিকা সন্তোষজনক’। একইসঙ্গে বুলবুলের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ রাজ্যের বকেয়া টাকাও পাঠাল কেন্দ্র সরকার।

করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে ২১ দিনের লকডাউন চলছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজ খবর নিতে শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে তিনি একা নন, মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরও। তাঁরা গোটা পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজখবর নেন। রাজ্যকে সমস্তরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : করোনার বলি চিকিৎসক, মহারাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ছয়]

কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে খবর, করোনা মোকাবিলায় প্রত্যেক রাজ্যের দায়িত্ব রয়েছেন একজন করে ক্যাবিনেট মন্ত্রী। এ রাজ্যের দায়িত্বে রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী জয়শংকর। জানা গিয়েছে, করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় দেশজুড়ে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, নিয়মিত তার রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষদের জন্য নেওয়া ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের জোগান ও সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিংয়ের জন্য কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার সবিস্তার রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রীদের।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রের কাছে বুলবুলের ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থসাহায্য চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই অর্থ আসছিল না কিছুতেই। অবশেষে বুলবুলের ক্ষতিপূরণ বাবদ ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফান্ড থেকে ১১০০ কোটি টাকা দিল কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যের তরফে করোনা মোকাবিলায় ১৫০০ কোটি টাকা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও খবর। কিন্তু মহামারি মোকাবিলায় তহবিল গড়লেও রাজ্যকে কেন্দ্রের তরফে ঠিক কত টাকা সাহায্য করা হবে, তা অবশ্য জানানো হয়নি।

[আরও পড়ুন : বিদেশ থেকে ফিরেই বিয়েবাড়িতে হাজির, করোনা আক্রান্ত যুবকের কাণ্ডে আতঙ্কে নিমন্ত্রিতরা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.