দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: রেশন ব্যবস্থা নিয়ে উত্তাল গোটা রাজ্য। বিভিন্ন জায়গায় চলছে বিক্ষোভ। আক্রান্ত হচ্ছেন ডিলাররা। রেশন কার্ড ইস্যুতে এবার শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দেখা দিল ভাঙড়ে। অভিযোগ, ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা মিজানুর রহমানের অনুগামীরা নিজেদের কাছে বেশ কিছু রেশন কার্ড আটকে রেখেছেন। রেশন দ্রব্য আত্মসাৎ করছেন।
এই অভিযোগে রবিবার আরাবুল ইসলাম অনুগামী তৃণমূল কর্মী জাহাঙ্গির গাজি পোলেরহাট ১ অঞ্চলের চারজন লোককে বাড়ি থেকে তুলে আনে। পোলেরহাট বাজারের তৃণমূল কার্যালয়ে আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগ। অনেকেরই দাবি, তাঁদের মধ্যে দু’জনকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে কাশীপুর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে এক আহতকে উদ্ধার করে। মারধরের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আহত নুরুল ইসলাম এলাকায় মিজানুর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। গ্রেপ্তার হওয়া হারুন আল রশিদ, মোস্তাফা মোল্লা, হিমবাবু মোল্লা, শুকুর আলি মোল্লা চারজনেই আরাবুলের ঘনিষ্ঠ। এই ঘটনায় ভাঙড়ে আবার আরাবুল ও তাঁর বিরোধী গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এল। ঘটনার নিন্দা করেন ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি ওহিদুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, “প্রশাসনকে সঠিক তদন্ত করে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির কথা বলেছি।”
[আরও পড়ুন: রেশন নিয়ে টানা বিক্ষোভ, সালার থেকে শিক্ষা নিয়ে পরিদর্শনে জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার]
পুরো ঘটনার পিছনে আরাবুল ইসলামের মদত আছে বলে মিজানুর শিবির দাবি করেছে। অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন আরাবুল। এ বিষয়ে ভাঙড়ের ২ নম্বর ব্লকের বিডিও কৌশিক কুমার মাইতি বলেন, “উদ্ধার হওয়া কার্ডগুলি ২০১৭ সালের। সেগুলি কেন বিতরণ করা হয় বা এগুলি বাতিল হয়ে গিয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”