সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৈচিত্র-ঐক্য, সহিষ্ণুতা-অসহিষ্ণুতা, পক্ষ-বিপক্ষ এই নিয়ে ঠাঁয় সত্তরটা বছর দাঁড়িয়ে ভারতবর্ষ। হিমালয়ের পাদদেশ এখন ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় বিশ্বাসী। প্রযুক্তির আধারেই প্রতিবন্ধকতাকে হারিয়ে নতুন ভবিষ্যতের দিশা খুঁজছে সরকার। স্বাধীনতা দিবসের আগে সেই পথে চলা শুরু হল বলিউডের শাহেনশা অমিতাভ বচ্চনের হাত ধরে। জাতীয় সংগীতকে প্রকাশ্যে আনা হল সাংকেতিক ভাষায়।
[এবার স্বাধীনতা সংগ্রামী দীনেশ গুপ্তর চরিত্রে দেখা যাবে দেবকে]
প্রতিবন্ধী নয়, শরীরের সামান্য খুঁতকে ‘দিব্যাঙ্গ’ হিসেবেই পরিচিতি দিতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সেই মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিয়েই বিশেষ এই মানুষগুলির জন্য সাংকেতিক ভাষায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে এই বিশেষ ভিডিও। যা প্রকাশ্যে আনলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মহেন্দ্র নাথ। ‘দিব্যাঙ্গ’ শিশুদের সঙ্গে নিয়েই পুরো গানটি সাংকেতিক ভাষায় পরিবেশন করেছেন অমিতাভ বচ্চন। অ্যারেঞ্জ করেছেন তাঁরই প্রিয় পাত্র আদেশ শ্রীবাস্তব। পুরো ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন গোবিন্দ নিহালানি।
[‘ভূমি’ আঁকড়ে রূদ্রমূর্তিতে ক্যামব্যাক করছেন বলিউডের খলনায়ক]
এমনিতে ভারতীয় জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময়সীমা ৫২ সেকেন্ড। তবে ‘দিব্যাঙ্গ’দের জন্য সাংকেতিক ভাষা ব্যবহার করায় এই গানটি গাইতে একটু বেশিই সময় লেগেছে। তবে তাতে কারও আপত্তি থাকবে বলে মনে করছেন না নির্মাতারা। তার বদলে এই গানের মাধ্যমেই ৭০তম স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনের সঠিক শুরু হল বলেই মনে করছেন সকলে। এই গানই হয়ে উঠবে এবারের স্বাধীনতা দিবসের ভারতীয় ঐক্য ও ঐতিহ্যে নয়া উদাহরণ, এমনটাই আশা করছেন সকলে। যে ভারতবর্ষে কোনও ভেদাভেদ থাকবে না। না জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে, না কোনও শারীরিক খুঁতের বিচারে। সকলের সমান অধিকার নিয়ে এভাবেই দেশ এগিয়ে চলবে সামনের দিকে। উন্নয়নের পথে।
[‘ভুল শুধরে’ ফের জোলির কাছে ব্র্যাড?]