সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘দেবী চৌধুরানী’, আপামর বাঙালির কাছে এ বড় কাছের এক চরিত্র। সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যের উপন্যাসেই হোক কিংবা পর্দায়, ‘প্রফুল্ল’র ডাকাতরানি ‘দেবী চৌধুরানী’ হয়ে ওঠার কাহিনী কমবেশি সকলেই জানেন। আর তা যখন রুপোলি পর্দায় আসার প্রস্তুতি নেয় তখন পাঠকদের ও আপামর সিনেপ্রেমীর এক আলাদা অপেক্ষা থাকেই। এর আগেও ‘দেবী চৌধুরানী’ পর্দায় এসেছে। সেই চরিত্রে দর্শক পেয়েছেন মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে। আর তাই তার মাধুর্যও সকলের কাছে আলাদা রকমের।
পুনরায় বাংলা ছবির হাত ধরে ফিরে আসছে সেই নস্টালজিয়া। শুভ্রজিৎ মিত্রের পরিচালনায় আসছে ‘দেবী চৌধুরানী’।সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্রের বিখ্যাত সেই উপন্যাসকে আধার করে ছবি তৈরির পরিকল্পনা করেন চিত্রপরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র। ২০২৩ সালে শুরু হয়েছিল এই ছবির শুটিং। ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে পোস্ট প্রোডাকশনের কাজও। জাতীয় স্তরে এই ছবি বিশেষ সম্মান পেয়েছে। তবে সব কিছুর পরেও বড়পর্দায় এই ছবি এখনও মুক্তি পায়নি। বারবার মুক্তির দিন পিছিয়েছে। আর তাই ছবি মুক্তির দিন ঘোষণার দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলে। এই নিয়ে সোমবার বড় আপডেট দিলেন ইন্ডাস্ট্রির জ্যেষ্ঠপুত্র প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি এই ছবিতে ভবানী পাঠকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এদিন সোশাল মিডিয়ায় ছবির পোস্টার পোস্ট করে প্রসেনজিৎ লিখেছেন, “দেবীপক্ষেই দেবীর আগমন। এই পুজোয় আসছে আপনাদের নিকটবর্তী প্রেক্ষাগৃহে।” আর সেখান থেকেই বোঝা যাচ্ছে চলতি বছরের পুজোয় মুক্তি পেতে চলেছে ‘দেবী চৌধুরানী’। তবে সেখানে সঠিক দিনক্ষণ জানানো হয়নি।
ব্রিটিশ শাসিত ভারতে সেই সময়ে নিষিদ্ধ হয়েছিল এই উপন্যাস। তবে যে আলোড়ন শুরু হয়েছিল তা এই উপন্যাস নিষিদ্ধ করেও থামাতে পারেনি ব্রিটিশ সরকার। আর শুভ্রজিতের ছবিতে ঠিক সেভাবেই কিন্তু দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হবে। সঙ্গে তুলে ধরা হবে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ঘটনাও। ছবিতে ভবানী পাঠকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, দেবী চৌধুরানীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছবিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সব্যসাচী চক্রবর্তী, অর্জুন চক্রবর্তী, দর্শনা বণিক, বিবৃতি চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ।