সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সদ্য শতবর্ষে পা রাখল ইস্টবেঙ্গল। আর সেই শতবর্ষের সূচনা হতেই প্রকাশ্যে এল কৃশানু দে-কে নিয়ে ওয়েব সিরিজ ‘কৃশানু কৃশানু’র টিজার। ফুটবলপ্রেমী তথা ইস্টবেঙ্গলভক্তদের কাছে কৃশানু দে নামটাই যে একটা আবেগ, প্রথম টিজার মুক্তির সঙ্গে আরও একবার তা প্রমাণিত হল।
[আরও পড়ুন: ‘শ্রেয়া ঘোষাল আর লেডি গাগা ছাড়া কারও সঙ্গে গাইব না’, ছুৎমার্গ নোবেলের]

জি-ফাইভ অরিজিন্যালসের প্ল্যাটফর্মে আগস্টের শেষেই মুক্তি পাচ্ছে ‘কৃশানু কৃশানু’। উল্লেখ্য এই প্রথম কোনও ভারতীয় ফুটবলারের জীবনকাহিনি অবলম্বনে তৈরি হল ওয়েব সিরিজ। পরিচালনা করেছেন কোরক মুর্মু। ভারতীয় ফুটবল জগতের অন্যতম কিংবদন্তী কৃশানুর জীবনী ছাড়াও এই সিরিজে বাঙালিরা পাবেন আটের দশকের ময়দানের আস্বাদ। সাতের এবং আটের দশকের ময়দানের প্রতিদ্বন্দিতা, রাজনীতি যাবতীয় বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ধরার প্রচেষ্টা করা হয়েছে। কৃশানুর সমসাময়িক খেলোয়াড়, ক্লাবকর্তা-সহ বেশ ক’জন বাস্তব চরিত্রদেরও গল্পের প্লটে রাখা হয়েছে। বাঁ পায়ে ফুটবল নিয়ে ময়দানে দৌড়ে চলেছেন রেসের ঘোড়া। গ্যালারি থেকে সেই আবেগমাথা চিৎকার ‘কৃশানু, কৃশানু’। পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের ঝলকও মিলল টিজারে।
[আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ‘মিশন মঙ্গল’-এর বাংলা প্রোমো, আক্কির প্রশংসায় পঞ্চমুখ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়]
‘কৃশানু কৃশানু’র প্রথম সিজনে থাকছে আটটা এপিসোড। ওয়েব সিরিজের আকারে কৃশানুর জীবনীর কাহিনিকার চারজন- সৌভিক দাশগুপ্ত, কল্লোল লাহিড়ী, চন্দ্রোদয় পাল ও অভ্র চক্রবর্তী। শৈশব থেকে কৃশানুর ‘ভারতীয় মারাদোনা’ হয়ে ওঠার গল্প, যাবতীয় বিষয় তুলে ধরা হয়েছে ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে। এছাড়াও ভারতীয় মারাদোনার নানা অজানা দিকের ঝলকও মিলেছে টিজারে।
কৃশানুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন মহারাষ্ট্রের অনুরাগ উরহাম। বছর আঠাশের অনুরাগ ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার স্নাতক। কৃশানুর জুতোতে পা গলাতে পেরে যারপরনাই উচ্ছ্বসিত নবাগত এই অভিনেতা। ৬ মাস মন দিয়ে হোমওয়ার্কও করেছেন। অনুরাগের কথায়, “প্রথমে যখন জানতে পারি এত বড় প্রেজেক্টের মুখ্য চরিত্র হতে চলেছি, খুব এক্সাইটেড ছিলাম। ফুটবল অত বেশি ফলো করি না। তবে কলকাতায় এসে কৃশানু দে’র প্রতি বাঙালিদের আবেগটা ভালরকম ভাবে বুঝতে পেরেছি।” ‘কৃশানু কৃশানু’র প্রযোজনা করেছে ‘জ্যোতি প্রোডাকশন’। ক্রিয়েটিভ প্রডিউসারের দায়িত্ব বর্তেছে সৌভিক দাশগুপ্ত ও সারণ দত্তের উপর। এক্সিকিউটিভ প্রডিউসর সায়ন চক্রবর্তী ও মহাশ্বেতা চক্রবর্তী।