সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিন কয়েক হল মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাড়ির চার সদস্যই মুম্বইয়ের নানাবতী হাসপাতালে ভরতি। অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক, ঐশ্বর্য এবং ‘বেবি’ আরাধ্যা সকলেই চিকিৎসায় ভাল সাড়া দিচ্ছেন, তাঁদের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলেই জানা গিয়েছে। তবে জয়া বচ্চনের রিপোর্ট নেগেটিভ। অতঃপর জলসা বাংলোয় তিনি এখন একা, যদিও বাড়ির পরিচারক, কর্মীরা রয়েছেন। তবে এর মাঝেই নতুন এক আশঙ্কা তাড়া করে বেড়াচ্ছে জয়াকে (Jaya Bachchan)। যার জেরে বিনিদ্র রজনী কাটাতে হচ্ছে অভিনেত্রী-রাজনীতিককে!
কী সেই আশঙ্কা? শোনা যাচ্ছে, জলসার বাইরে রাত-বিরেতে বাইকারদের এত উৎপাত শুরু হয়েছে, যে জয়া রীতিমতো দু’চোখের পাতা এক করতে পারছেন না! শুধু বাইক নিয়ে রেস-ই নয়, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে চিৎকার, চেঁচামেচি, হুল্লোর। যদিও অমিতাভ-অভিষেকের করোনা ধরা পড়ার পরই বৃহন্মুম্বই পুরসভার তরফে সিল করে দেওয়া হয়েছে। তবে রোজ সেই চিৎকার-চেঁচামেচিতে ঘুমোতে পারছেন না জয়া। শেষ অবধি শনিবার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন অমিতাভ-ঘরণি।

[আরও পড়ুন: ‘আমি কোণঠাসা, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একটা গ্যাং আমার বিরুদ্ধে গুজব রটাচ্ছে’, বিস্ফোরক রহমান]
জয়ার অভিযোগ, তাঁর বাড়ির সামনে কিছু ছেলে রাত ১১ টা থেকে ১২ টার সময় এসে বাইক নিয়ে রেস করতে থাকে। শুধু তাই নয়, তারস্বরে চিৎকারও করে। আর এই বাইকারদের জন্যই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তিনি। তাই অবস্থা বেগতিক দেখে জয়া বচ্চন গত রাতেই ১০০ ডায়াল করে পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে সূত্রের খবরে। মুম্বই পুলিশ প্রবীণ অভিনেত্রী তথা রাজনীতিকের অভিযোগ পেয়ে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু ততক্ষণে বাইকাররা সেখান থেকে চম্পট দিয়েছে! তাই পুলিশের কাছে ধরাও পড়েনি। তবে জয়ার অভিযোগের পরই নাইট শিফটে থাকা কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের ইতিমধ্যেই এলার্ট থাকার নির্দেশ দিয়েছে মুম্বই পুলিশ।
অন্যদিকে পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ থেকে বাইকারদের বাইকের নম্বর নেওয়া হয়েছে। খতিয়ে দেখা হবে তাদের কোনও অসৎ উদ্দেশ্য ছিল কিনা! তবে, এই করোনা আবহে মুম্বইয়ে যেখানে চরম পরিস্থিতি, এই সময়ে এত রাতে বাইকাররা নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে রেস কী করে? উঠছে প্রশ্ন। মুম্বই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সেই বিষয়টিকেও তাঁরা খতিয়ে দেখছে।