Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
নীনা

‘মাসাবাকে পিতৃপরিচয় দিতে অনেকেই আমায় বিয়ে করতে চেয়েছিল’, মুখ খুললেন নীনা

মাসাবাকে একাই বড় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নীনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২০, ১৯:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২০, ১৯:২৪

options
link
‘মাসাবাকে পিতৃপরিচয় দিতে অনেকেই আমায় বিয়ে করতে চেয়েছিল’, মুখ খুললেন নীনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিন দুই আগে ভিভ রিচার্ডসের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছিলেন নীনা গুপ্তা। স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়াবেন না।’ কারণ, তাঁর অভিজ্ঞতা খুব একটা ভাল নয়। ভিভের সঙ্গে সম্পর্কের পর নীনার কোলে আসে মাসাবা। কিন্তু মেয়ের কোনও দায়িত্বই নেননি বাবা। প্রায় একা হাতেই মেয়েকে বড় করেন নীনা। সেই কথাই এবার অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী।

আটের দশকে ভিভ রিচার্ডসের সঙ্গে প্রেম জমে উঠেছিল নীনার। ভিভ তখন বিবাহিত। দুই সন্তানের বাবা। প্রেমের শুরুর দিকে ভারতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল ভিভের। তবে কোনও দিনই সেই সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি। ১৯৮৯ সালে জন্ম নেয় নীনা গুপ্তা আর ভিভ রিচার্ডসের মেয়ে মাসাবা। মেয়েকে দেখতে ভারতে এসেছিলেন ভিভ। তার পর ধীরে ধীরে ভাঙন ধরে নীনা-ভিভের সম্পর্কে। মেয়ে মাসাবাকে ‘সিঙ্গল মাদার’ হিসেবেই বড় করেন নীনা।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আরও পড়ুন: তাহির হোসেনের পাশে দাঁড়ানোর জের, জাভেদ আখতারের বিরুদ্ধে দায়ের হল মামলা ]

নীনা গুপ্তা জানিয়েছেন, মেয়ে মাসাবার যখন জন্ম হয় তখন অনেকে অনেক কথা বলেছিল। এমনকী মাসাবা যাতে পিতৃপরিচয় পায়, তার জন্য অনেকে নীনাকে বিয়ে করতেও রাজি ছিলেন। কিন্তু নীনা এইসব পথে হাঁটেননি। তাঁর একটাই বক্তব্য ছিল, মেয়েকে তিনি একাই বড় করবেন। তিনি রোজগার করেন। ফলে মেয়ের পড়াশোনা বা দেখভালের কোনও সমস্যা হবে না। মাসাবার পিতৃ পরিচয়ের জন্য তিনি কাউকে বিয়ে করতে পারবেন না। এরপর শুরু হয় নীনার লড়াই। প্রথম দু’বছর মাসাবাকে একাই দেখভাল করতেন তিনি। কিন্তু তার পর নীনার বাবা মেয়ের কাছে চলে আসেন। তিনিই নাতনির যাবতীয় দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। “আমার বাবা আমার মেয়েকে বড় করার পিছনে গুরু দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আমাকে সাহায্য করার জন্য সব কিছু ছেড়েছুড়ে তিনি চলে এসেছিলেন মুম্বই। আমি বোঝাতে পারব না আমি তাঁর প্রতি কতটা কৃতজ্ঞ।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[ আরও পড়ুন: ‘দোলের রং চিন থেকে আসে’, করোনা ঠেকাতে উৎসবে শামিল না হওয়ার বার্তা রাখির ]

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A daughter is a daughter all your life

A post shared by Neena ‘Zyada’ Gupta (@neena_gupta) on

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.