সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের রাতে আর জি কর হাসপাতালে সৃজিত মুখোপাধ্যায়, বিরসা দাশগুপ্ত, বিদীপ্তা চক্রবর্তীদের সঙ্গে জমায়েতে অংশ নিয়েছিলেন সোহিনী সরকারও (Sohini Sarkar)। পাশে ছিলেন গায়ক স্বামী শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ও। সেখান থেকেই সোহিনীর একটি মন্তব্য আপাতত ভাইরাল। অভিনেত্রীকে বলতে শোনা যায়, “এই প্রতিবাদ যেন শুধু তারকাদের জমায়েত না হয়ে ওঠে।”
আন্দোলনরত ডাক্তারদের পাশে দাঁড়িয়ে সোহিনী সরকারের মন্তব্য, “এই মুহূর্তে নমস্কার, ধন্যবাদ কোনওটাই বলার মতো মানসিক অবস্থায় নেই। এর শেষ কোথায় সেটাও জানা নেই। শুধু জানি, এই নৃশংস অত্যাচারের শেষ চাই। কী ভাবে হবে? সেটা যাঁরা রাজ্য বা দেশ চালানোর দ্বায়িত্বে রয়েছেন, তাঁরা জানবেন।” সেই সঙ্গে অভিনেত্রীর সংযোজন, আমরা শহরের আর কোনও মেয়ে, তরুণী চিকিৎসকের মতো যন্ত্রণা পেয়ে মরতে রাজি নই। এই প্রতিবাদ আর যেন না করতে হয়। আর যেন কোথাও, কোনও মেয়ের সঙ্গে এমন নারকীয় ঘটনা না ঘটে।”
[আরও পড়ুন: ‘পুজোয় ক্লাবে অনুদান না দিয়ে হাসপাতাল সারান’, সোজা RG Kar থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে আর্জি টলিউডের]
যাদবপুর এইট বি চত্বরে সকলের সঙ্গে ‘রাত দখল’ অভিযানে নেমেছিলেন সোহিনী সরকার। বুধবার ভোর পর্যন্ত যাদবপুর থানার সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থানেও অংশগ্রহণও করেছিলেন অভিনেত্রী। এদিন আর জি করে ভাঙচুর নিয়েও প্রতিবাদী কণ্ঠ শোনা যায় সোহিনীর। তিনি বলেন, “আমাদের রাত দখল আন্দোলনের সঙ্গে যাঁরা যুক্ত তাঁরা আর জি কর ভাঙচুর করেননি। তাঁরা এটা করতে পারে না।” আর জি কর হাসপাতালে (RG Kar Hospital) দ্বিতীয় দিনের জমায়েতে অংশ নিয়ে সোহিনী মনে করলেন আগের রাতের কথা। যেদিন তিনি যাদবপুরের প্রতিবাদী মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন। অভিনেত্রী বলেন, “১৪ অগস্ট যাদবপুরে মেদিনীপুর থেকে এক মা এসেছিলেন। তাঁর মেয়ে বছর দুয়েক আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। সেই মামলাও ধামাচাপা পড়ে গিয়েছে। সেই মা বড় আশা নিয়ে এসেছিলেন, যদি এই আন্দোলন তাঁর মেয়েকেও সুবিচার পাইয়ে দেয়। এই দিনটাও দেখতে হচ্ছে।”