রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: বাবা-মেয়ের সম্পর্কের গল্প নিয়ে ২৮ নভেম্বর বড়পর্দায় মুক্তি পাচ্ছে ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’। বাবা ও মেয়ের চরিত্রে দেখা যাবে চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী ও রুক্মিণী মৈত্রকে। ইতিমধ্যেই ছবি মুক্তির আগে ছবির বিভিন্ন প্রচারঝলক নজর কেড়েছে। তাতে রিয়েল লাইফের বাবা-মেয়েরাও অনেকাংশে নিজেদের খুঁজে পেয়েছেন। আসলে একটা সময়ের পর মেয়েরাই হয়ে ওঠে বাবাদের আশ্রয়স্থল। অভিভাবক বললেও অক্তুক্তি হবে না। ছবি মুক্তির আগে শেষমুহূর্তেও জোরকদমে ছবির প্রচার। গতকাল, বুধবার অরুণাভ মিদ্যা প্রযোজিত ও সেলুলয়েড ফিল্মস নিবেদিত ছবিটির প্রচার হল দিঘাতে।
বলে রাখা ভালো, এই প্রথম দিঘার বুকে কোনও বাংলা ছবির এমন প্রচারমূলক অনুষ্ঠান আয়োজিত হল। সাড়ম্বরে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিল দিঘার এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘বাংলা আমার মা’। কলকাতা থেকে নতুন ছবির প্রচার সারতে দিঘায় এসেছিলেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। পছন্দের নায়িকাকে দেখার জন্য এদিন অনুষ্ঠানে ছিল উপচে পড়া ভিড়। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পদিমা দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুশান্ত পাত্র, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ তমালতরু দাস মহাপাত্র। জেলা পরিষদ সদস্যা রিজিয়া বিবি, কল্যান জানা-সহ বিশিষ্ট সমাজসেবী নেপাল ভুঁইয়া, কেদারনাথ গিরি, শ্রীকৃষ্ণ দাস-সহ স্থানীয় নেতৃত্বরা। শুধু তাই নয়, একইসঙ্গে এদিনের অনুষ্ঠানে স্থানীয় নেতৃত্বদের তরফে আগামিদিনে দিঘা কনভেনশন সেন্টারে সিনেমাহল তৈরির প্রস্তাবও জানানো হয়।

উল্লেখ্য, মুক্তির আগেই এই ছবি প্রদর্শিত হয়েছে গোয়ার ৫৬তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে (IFFI)। অর্ণব মিদ্যা ও অরুণাভ মিদ্যা পরিচালিত এই ছবির মুক্তির আগে এমন এক সম্মাননা সত্যিই এই ছবিতে এক অন্যমাত্রা যোগ করেছে। শুধু তাই নয়, এই চলচ্চিত্র উৎসবে নতুন এই বাংলা ছবি সিনে সমালোচকদের কাছে বিশেষ প্রশংসা পেয়েছে। তবে দেশের এই নামজাদা চলচ্চিত্র উৎসবে রুক্মিণীর ছবির শুধু প্রদর্শনী হয়েছে তাই নয়, বরং সেখানে ছবির দুই পরিচালককে সঙ্গে নিয়ে রেড কার্পেটও মাতান রুক্মিণী।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন