সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘পিকু’, ‘বাজিরাও মস্তানি’, ‘পদ্মাবত’- তিন ছবির শক্ত ভিতে দাঁড়িয়ে তাঁর বলিউড কেরিয়ার। সাফল্যের মধ্য গগনে বলাই চলে। তাই তো নিজের অভিনয়ের জোরে নায়কদের থেকেও বেশি পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। এর মধ্যেও নিজের ব্যক্তিগত জীবনের অন্ধকার দিক নিয়ে কোনওদিন কথা বলতে কার্পণ্য করেননি দীপিকা পাড়ুকোন। মানসিক অবসাদ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আপনা থেকেই চোখ থেকে গড়িয়ে পড়েছে জল। ক্যামেরার সামনে তা লুকোননি। অথচ এই দীপিকাকে কখনও বলিউডের কাস্টিং কাউচ নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়নি। এ নিয়ে প্রশ্ন একাধিকবার উঠেছে। তবে মিডিয়ার বুমের সামনে বরাবর মৌনব্রতই পালন করেছেন অভিনেত্রী। এতদিনে সেই ব্রত ভাঙলেন। আর এক ডিজিটাল মিডিয়াকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বিস্ফোরক তথ্য শেয়ার করলেন নায়িকা।
[বাস্তব জীবনের অপূর্ণতা কি পর্দায় পূর্ণ করতে পারল ‘সঞ্জু’?]
হ্যাঁ, কাস্টিং কাউচের শিকার তাঁকেও একসময় হতে হয়েছিল। খব কম বয়সেই মুম্বইতে মডেলিং শুরু করেছিলেন নায়িকা। একপ্রকার পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়েই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পেয়ে যান সুপারমডেলের তকমা। এরপরের গন্তব্যই ছিল বলিউড। কিন্তু মডেলিংয়ে নাম কামানোর পরও বলিউডে প্রবেশের পথ সুগম ছিল না। এর জন্য প্রযোজক-পরিচালকদের দরজায় অনেক ঘুরতে হয়েছিল তাঁকে। তখনই অশালীন প্রস্তাব এসেছিল নায়িকার কাছে। বলা হয়েছিল, অভিনেত্রী হতে গেলে তাঁর বক্ষযুগলকে কৃত্রিম উপায়ে স্ফীত করতে হবে। এতে তাঁর শারীরিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। শরীরের খাঁজে মানুষকে মুগ্ধ করেই নাকি বলিউডে কাজ পাওয়া যায়।
এ কথায় অবশ্য কান দেননি দীপিকা। নিজের চেষ্টাতেই ফারহা খানের ‘ওম শান্তি ওম’-এ ব্রেক পেয়ে যান নায়িকা। খোদ শাহরুখ খানের নায়িকা হওয়ার সুযোগ পান। এরপরও অবশ্য অভিনেত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে বেশ খানিকটা সময় লেগে যায়। তবে দেরিতে হলেও সাফল্য মিলেছে। আর তা বেশ ভালভাবেই মিলেছে। এখন বলিউডের এক নম্বর হওয়ার দৌড়ে বেশ এগিয়েই রয়েছেন নায়িকা।
[আম্বানি-পুত্রের পার্টিতে নজর কাড়লেন শাহরুখ-প্রিয়াঙ্কা-আলিয়ারা]