সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিতর্ক আর পিছু ছাড়ছে না ভাইজানের! ধর্ষণ বিতর্ককে কেন্দ্র করে উত্তাল গোটা দেশ। শুধু তাই নয়, এই ঘটনার পর থেকেই সলমনকে ঘিরে একের পর এক বিতর্ক মাথাচাড়া দিচ্ছে।
আগামী ছবি ‘সুলতান’-এ কুস্তিগিরের ভূমিকায় শুটিং করা কতটা কঠিন ছিল, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে সলমন বলেছিলেন, “বারবার ১২০ কেজির পালোয়ানকে ওঠানো-নামানো করতে হয়েছে৷ এত পরিশ্রমসাধ্য গোটা ব্যাপারটা যে শুটিং শেষে নিজেকে ধর্ষিতা মহিলার মতো মনে হত৷” সলমনের এহেন মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে৷
এই ঘটনায় সলমনের বাবা সেলিম খান ছেলের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেও, বলিউডের ‘ব্যাড বয়’-এর এসবে যেন কোনও হেলদোল নেই। পুরো ঘটনা নিয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হলে ভাইজান বিশেষ পাত্তা দেননি। তিনি এমন কথা বলার জন্য ক্ষমা চাইবেন কি না এই প্রশ্নের উত্তরে কেবল একটি হাসি দিলেন ভাইজান! এর হাসির অর্থ কী তা বোঝা সম্ভব নয়। তবে তাঁর হাসি থেকে স্পষ্ট তাচ্ছিল্য ঝরে পড়ছিল, তা নিয়ে সন্দেহ নেই।
অন্যদিকে, সলমনের এহেন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। এই মন্তব্যকে ‘ইনসেন্সেটিভ’ বলেন। কোনও মহিলার যন্ত্রণাকে ভিত্তি করে এই ধরনের মন্তব্য করা অনুচিত বলে দাবি করেন তিনি।
আবার কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে পড়ল কেউটে। মায়াঙ্ক শেখরের বই ‘নেম প্লেস অ্যানিমাল থিং’ বইয়ে সলমনের নেগেটিভ চরিত্রের উদাহরণ রয়েছে। বইতে লেখা রয়েছে, সলমন না কি এক মহিলা সাংবাদিককে রীতিমতো ভয় দেখিয়েছিলেন। ইন্টারভিউ নেওয়ার পর মহিলা সাংবাদিক যখন বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন, তখন সলমন তাঁকে নিজের গাড়িতে বাড়ি পর্যন্ত ছেড়ে দেবেন বলেন। বহু আপত্তি করা সত্বেও সলমন তাঁর কথা শোনেননি। অগত্যা সলমনের গাড়িতে নিজের বাড়ি পর্যন্ত আসতে একপ্রকার অনিচ্ছা সত্ত্বেও রাজি হয়ে যান সেই সাংবাদিক। সলমন তাঁকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে বলেন, “যেই ইন্টারভিউ দিয়েছি তা ছাপা হবে না। তোমার বাড়িটা আমি চিনে গেলাম। মনে রেখ।” ধর্ষণ বিতর্কের পর মায়াঙ্ক আবার এই ঘটনাটি টুইট করেন।
সলমনের এহেন বক্তব্য প্রচ্ছন্ন হুমকি ছাড়া আর কী বলতে পারেন?