সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের নেটদুনিয়ার হাসির খোরাক বাংলা সিরিয়াল। এবার ‘গৌরী এলো’ (Gouri Elo) ধারাবাহিক নিয়ে চলছে রঙ্গ-রসিকতা। ধারাবাহিকের একটি দৃশ্যে নায়ক ইশানকে শিবলিঙ্গ মাথায় নিয়ে জল থেকে উঠতে দেখা গিয়েছে। তাতেই কটাক্ষের পালা শুরু হয়েছে। ইশানের চরিত্রে অভিনয় করা বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘গরিবের বাহুবলী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

ক্রেজি আইডিয়াজ মিডিয়ার প্রযোজনায় তৈরি ‘গৌরী এল’। ধারাবাহিকের পরিচালক স্বর্ণেন্দু সমাদ্দার। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে Zee বাংলায় শুরু হয়েছি ‘ ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকে ডা. ইশান ঘোষালের ভূমিকায় অভিনয় করছেন বিশ্বরূপ। তাঁর বিপরীতে গৌরীর চরিত্রে রয়েছেন মোহনা মাইতিকে। কাহিনি অনুযায়ী গৌরীকে অপহরণ করে মারার চেষ্টা করে শৈল মা (চান্দ্রেয়ী ঘোষ)। সেই বিপদ কাটিয়ে শ্যামচকের জমিদারবাড়িতে গিয়ে পৌঁছায় ইশান ও গৌরী। যেখানে অভিশাপের কারণে শিবলিঙ্গটি মাটির ভিতরে ঢুকে যায়।
[আরও পড়ুন: প্রথম ছবিতে কত টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন আমির? জানলে হতবাক হবেন ]
জমিদারবাড়িকে শাপমুক্ত করে শিবলিঙ্গ মাটি থেকে তোলে ইশান। মাথায় নিয়ে পাশের পুকুরে তাঁর অভিষেক করে। সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ। অনেকেই এই দৃশ্যের সঙ্গে দক্ষিণী ব্লকবাস্টার ‘বাহুবলী’র (Bahubali) দৃশ্যের তুলনা টেনে কটাক্ষ করেছেন। সেখানে নায়ক প্রভাসকে কাঁধে শিবলিঙ্গ নিয়ে জল থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গিয়েছিল। ছবির সেই দৃশ্যটি তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিল।
‘গরিবের বাহুবলী’, ‘বীর ঈশেদ্রবলি’, এমন মন্তব্যই করা হয়েছে ইশানের ছবিতে। “সব নায়কদের গায়ে এত শক্তি আসে কী করে। কমপ্লান বয় বুঝি”, এমন কথাও লেখা হয়েছে। বিষয়টিকে ‘ছেলেখেলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তা বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এমনই নানা মন্তব্যে ভরে গিয়েছে কমেন্টবক্স। তবে অনেকে ‘হর হর মহাদেব’ বলে শ্রদ্ধাও প্রকাশ করেছেন। তাঁদের আবার দৃশ্যটি বেশ ভাল লেগেছে।

[আরও পড়ুন: ‘পৃথ্বীরাজে’র পর এবার ‘শিবাজি’, নতুন ছবির লুক শেয়ার করলেন অক্ষয় কুমার]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন