Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
করোনার জের বিনোদন ইন্ডাস্ট্রিতে

করোনার জেরে বন্ধ হচ্ছে ৪ বাংলা ধারাবাহিক! বড়সড় ধাক্কা বিনোদন জগতে

সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবেন জুনিয়র টেকনিশিয়ানরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২০, ২২:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২০, ২২:০৩

options
link
করোনার জেরে বন্ধ হচ্ছে ৪ বাংলা ধারাবাহিক! বড়সড় ধাক্কা বিনোদন জগতে zoom
ছবি প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের জেরে বিগত দেড় মাস ধরে টলিপাড়ায় বন্ধ শুটিং। ১৯ মার্চ থেকে তালা ঝুলেছে সিনেমা হলগুলিতে। কত ছবির কাজ বাকি। এককথায়, করোনা পরবর্তী সময়ে বিনোদন ইন্ডাস্ট্রির উপরে যে অচিরেই বড়সড় একটা অর্থনৈতিক ধ্বস নামতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য! এমন পরিস্থিতিতেই শোনা গেল আরেক দুঃসংবাদ! জনপ্রিয় চ্যানেলের চারটি বাংলা ধারাবাহিক বন্ধ হতে চলেছে।

১২মে একদিকে যখন রাজ্য সরকারের তরফে পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ শুরু করার ছাড়পত্র মিলেছে, ঠিক সেই দিনই ওই চারটি ধারাবাহিকের প্রযোজনা সংস্থাকে মৌখিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে চ্যানেলের পক্ষ থেকে যে এই অর্থকষ্ট নিয়ে সিরিয়ালগুলি আর টানা সম্ভব নয়! যদিও এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই ঘোষণা করা হয়নি। তবে শোনা যাচ্ছে, খুব শিগগিরিই অফিশিয়ালি ঘোষণা করে দেওয়া হবে। ধারাবাহিক বন্ধ হলে যে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবেন জুনিয়র টেকনিশিয়ানরা, তা বলাই বাহুল্য। এমনিতেই লকডাউনের জেরে দৈনন্দিন পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে যারা কাজ করেন, তারা ভীষণরকম সংকটের মধ্যে পড়েছেন। এরপর তার চারটি ধারাবাহিক বন্ধ হলে যে আরও সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে ইন্ডাস্ট্রিকে, তা বলাই যায়। লকডাউনের মেয়াদ যত বাড়ছে, ততই জোরালো হচ্ছে আশঙ্কা। এভাবে চলতে থাকলে প্রায় সব চ্যানেলের পক্ষ থেকেই ধারাবাহিকের বাজেট কমে যাবে। কাটছাঁট হবে কর্মীসংখ্যাও।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: লকডাউনের মাঝেই হইচই-এর নতুন ওয়েব সিরিজ, আসছে পরমব্রত-অঙ্কুশের ‘কেস জন্ডিস’]

উল্লেখ্য, করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক ধাক্কাই যে এই চারটি ধারাবাহিক বন্ধ হওয়ার নেপথ্যে মূল কারণ, তা একেবারে স্পষ্ট। কারণ বর্তমানে সংবাদপত্রের পাশাপাশি টেলিভিশনেও বিজ্ঞাপন কমার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ফলে বিজ্ঞাপন বাবদ যা আয় হত, সেই কোপ যথারীতি এসে পড়বে প্রযোজক, স্টুডিও মালিক থেকে শুরু করে সব কলাকুশলীদের উপর। এভাবে চলতে থাকলে সব চ্যানেলেরই টিআরপি পড়ে যাবে।

[আরও পড়ুন: ‘‘পাতাল লোক’-এ সমাজের ফাটলগুলো দেখানোর চেষ্টা করেছি’, মন্তব্য পরিচালক প্রসিত রায়ের]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.