সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একজন সাধারণ সেলসম্যান কি কখনও হিরো হতে পারে? যে চাকরি বলতে বোঝে ১০টা-৫টার ডিউটি, মাসের শেষে পারিশ্রমিক, সেলস টার্গেট, তার কাছে হিরো হওয়া তো দিবাস্বপ্ন। তা কি কখনও সত্যি হয়?
ছবিতে সাধারণ মধ্যবিত্ত এক যুবকের চরিত্রে অভিনয় করেছে ইমরান হাসমি। নাম আয়ান। একটি বেবি ফুড কোম্পানির হয়ে প্রোডাক্ট বিক্রির কাজ করে সে। সেলসম্যান হিসেবে ভালই নামডাক হয় তার। কোম্পানির কাছেও বেড়ে যায় কদর। কিন্তু এর মধ্যেই শনির মতো তার জীবনে এসে পড়ে একটি নির্মম সত্য। আয়ান জানতে পারে তার বিক্রিত বেবি ফুড খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে হাজার হাজার শিশু। এটা মেনে নিতে পারে না আয়ান। কোম্পানির বিরুদ্ধে যায় সে। কিন্তু এসব জায়গায় ঢোকা সহজ, বেরনো নয়। আয়ানও পারে না। জেল হয় তার। তার পাশ থেকে এক এক করে সরে যায় সবাই। এই পরিস্থিতিতে কি করবে আয়ান? হিরো সে হতে চায় না। সে শুধু চায় শিশুদের জীবন বাঁচাতে। সেটাও কি পারবে না?
[ কীভাবে ‘রসগোল্লার কলম্বাস’ হলেন নবীন ময়রা? ট্রেলারেই দেখুন ]
‘টাইগারস’ ছবির গল্প খানিকটা এরকমই। আর এমন দুঃসাহসিক বিষয় নিয়ে ছবি করেছেন হলিউডের পরিচালক ড্যানিস তানোভিক। ২০০১ সালে ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ ছবির জন্য সেরা বিদেশি ছবি বিভাগে অস্কার জিতেছিলেন তিনি। ওই বছর ‘লগান’-এর সঙ্গে একই বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’। ১৯৭০ সালে আমেরিকায় নেসলের বেবি ফুড নিয়ে কেলেঙ্কারি হয়েছিল। লক্ষ লক্ষ শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছিল এই খাবার খেয়ে। এরপর আটের দশকে ইউরোপেও একই সমস্যা হয়। ১৯৯০ ও ২০০০ সাল নাগাদ গোটা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এই বেবি ফুড। তার উপর ভিত্তি করেই ‘টাইগারস’ ছবিটি বানিয়েছেন পরিচালক। তবে প্রোডাক্টের নাম তিনি উল্লেখ করেননি।
[ ওয়াঘা সীমান্তে পাকিস্তানের দিকে তাকিয়ে সলমন-ক্যাটরিনা, ব্যাপারটা কী? ]
ভারতে ২১ নভেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘টাইগারস’। কিন্তু এর আগে চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়েছে ছবিটি। ২০১৪ সালে টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যথেষ্ট প্রশংসা কুড়োয়। ছবিতে ইমরান হাসমি ছাড়াও ছবিটিতে অভিনয় করেছেন আদিল হুসেন, গীতাঞ্জলী থাপা, সত্যদীপ মিশ্র, ড্যানি হাসটন ও সুপ্রিয়া পাঠক।