Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোলাপের পর অর্কিড ফুটবে কোচবিহারে, শুরু পরীক্ষামূলক চাষ

চাহিদার কথা মাথায় রেখে অর্কিড চাষের ভাবনা উদ্যানপালন বিভাগের৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০১৯, ২০:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০১৯, ২০:৪৬

options
link
গোলাপের পর অর্কিড ফুটবে কোচবিহারে, শুরু পরীক্ষামূলক চাষ zoom

বিক্রম রায়, কোচবিহার: অর্কিড চাষে জেলায় সাফল্য মিলেছে। ইতিমধ্যে একাধিক কৃষক সফলভাবে চাষ করেছেন। এবার বাণিজ্যিকভাবে অর্কিডের ডেনড্রোবিয়াম প্রজাতি চাষ করার পরিকল্পনা নিয়েছে জেলার উদ্যানপালন বিভাগ। তবে অর্কিডের পাশাপাশি গোলাপ চাষের এলাকা বৃদ্ধির পরিকল্পনাও কোচবিহার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে। গ্রিন হাউসে এই চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে প্রায় প্রকল্পের অর্ধেক ভরতুকি রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

[ঊষর ডাঙায় ফুটছে রজনীগন্ধা, বিপুল লক্ষ্মীলাভ খাতড়ার কৃষকদের]

জেলার উদ্যান পালন দপ্তরের আধিকারিক খুরশিদ আলম জানান, “অর্কিড জারবেরা চাষে সাফল্য পাওয়া গিয়েছে। সফলভাবে গোলাপ চাষও জেলায় হচ্ছে। তুফানগঞ্জের ভোগারকুঠি এলাকার এক চাষি ডেনড্রোবিয়াম প্রজাতির অর্কিড চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন। তাই এবার অর্কিড চাষে আগ্রহ বাড়াতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অর্কিডের বাজারে ভাল চাহিদা রয়েছে। তাই বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এই চাষের উপর।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ORCHID

[রুক্ষ মাটিতে গোলাপ চাষই নয়া দিশা বাঁকুড়ার কৃষকদের]

উদ্যান পালন দপ্তর সূত্রে খবর, গ্রিন হাউসের মাচার উপর নারকেলের ছিবরা বা ওই জাতীয় কোনও জিনিসের মধ্যে প্রথমে অর্কিডের চারা বসাতে হবে। সেই চারা কিছুটা বড় হওয়ার পর বিশেষ করে শীতকালে তাতে ফুল ধরা শুরু হয়। সিকিম সহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ঠান্ডা স্থানগুলিতে অর্কিড চাষ হয়। তবে কোচবিহারে এই চাষ সফল হবার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে চিলাখানা ভোগারকুঠির এলাকার সমীর দত্ত নামের এক চাষী চাষ করেছিলেন। সেখানে সাফল্য পাওয়ার পর এবার এই প্রজাতির অর্কিড চাষে আরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তার জন্য প্রকল্প রয়েছে। ইচ্ছুক চাষিদের গ্রিন হাউসে ৫ লক্ষ ৩০ হাজারের একটি প্রোজেক্টের আওতায় এনে সরকারিভাবে পঞ্চাশ শতাংশ পর্যন্ত সহযোগিতা করা হবে। শুধু ফুল হলেই নয়, গাছ লাগানোর পর তার চারা বিক্রি করেও চাষিরা ভাল আয় করতে পারেন। বাজারজাত করার জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ার পরিকল্পনাও উদ্যান পালন দপ্তরের পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.