Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Samik Bhattacharyya

বনগাঁয় নো ম্যাপিং তালিকায় ১ লক্ষ ৩৪ হাজার, ‘কোনও হিন্দুর নাম বাদ যাবে না’, আশ্বাস শমীকের

বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ থেকে উদ্বাস্ত হয়ে এদেশে আসেন হাজার হাজার মতুয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫, ১১:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫, ১১:২৬

options
link
বনগাঁয় নো ম্যাপিং তালিকায় ১ লক্ষ ৩৪ হাজার, ‘কোনও হিন্দুর নাম বাদ যাবে না’, আশ্বাস শমীকের zoom
ফাইল ছবি

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কোনও হিন্দুর নাম বাদ যাবে না! দিল্লিতে বসে আরও একবার মূলত মতুয়াদের আশ্বস্ত করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বললেন, “যারা সব খুঁইয়ে এখানে এসেছেন, এই মাটিতে তাদের আমাদের মতোই অধিকার।”

এসআইআর প্রক্রিয়ার শুরু থেকে বঙ্গীয় বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করে আসছেন, সব মতুয়াদের নাম উঠবে। কিন্তু তথ্য বলছে অন্য কথা! শুধুমাত্র বনগাঁ মহকুমায় ১ লক্ষ ৩৪ হাজার মানুষ নো ম্যাপিং তালিকায় রয়েছেন। খোদ বিজেপির গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুরই দাবি করছেন, এঁদের মধ্যে ৯০ শতাংশ মতুয়া। আতঙ্কে দিন কাটাছেন মতুয়াদের অনেকে। বিজেপিকে বিশ্বাসঘাতক বলছেন একাংশ। এই আবহে দিল্লিতে শমীক বলেন, “কোনও হিন্দুর নাম বাদ যাবে না। যাঁরা সব খুইয়ে এখানে এসেছেন, এই মাটিতে তাঁদের অধিকার আমাদের মতোই।” এই আশ্বাসে কতটা চিঁড়ে ভিজবে তা সময় বলবে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ থেকে উদ্বাস্ত হয়ে এদেশে আসেন হাজার হাজার মতুয়া। তাঁদের অধিকাংশেরই নাম নেই ২০০২ তালিকায়। বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু আশা দিয়ে বলেছিলেন সিএএ আইনে তাঁদের নাগরিকত্ব দিয়ে দেবেন। এদিন শমীকও দেশের রাজধানীতে বসে বলেন, “মতুয়াদের সিএএ-তে স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে। সময় আছে ফর্ম ভরুন।”

কিন্তু অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি তথা গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর অন্য কথা বলছেন। তিনি জানান, “এটা ঠিক যে ‘নো ম্যাপিং’ ভোটারদের মধ্যে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ মানুষ উদ্বাস্তু শ্রেণির। এদের একমাত্র রক্ষাকবচ সিএএ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে আবেদন করব ফাস্ট ট্র্যাকের মাধ্যমে দ্রুত এই সব মানুষকে নাগরিকত্ব দিয়ে দেওয়ার জন্য।” মতুয়ারাও জানাচ্ছেন, তাঁদের অনেকেই আবেদন করে এখনও নাগরিকত্ব পাননি। এদিকে শুরু হচ্ছে এসআইআরের শুনানি প্রক্রিয়া। সেখানে তথ্য দেখাতে না পারলে কী হবে? আতঙ্কে দিন কাটছে তাঁদের। 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.