Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Assam flood

বন্যাবিধ্বস্ত অসমে ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩, মুখ্যমন্ত্রীর পাশে থাকার আশ্বাস অমিত শাহের

তৈরি রয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, জানিয়েছেন শাহ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৩, ১৬:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৩, ১৬:৪৭

options
link
বন্যাবিধ্বস্ত অসমে ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩, মুখ্যমন্ত্রীর পাশে থাকার আশ্বাস অমিত শাহের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বন্যার জেরে চলতি বছরে প্রথমবার প্রাণহানি হল অসমে (Assam)। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে ফোন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। পরিস্থিতি সামাল দিতে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকেও তৈরি রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অন্তত ৪ লক্ষ মানুষ।

রবিবার সকালেই অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)  জানান, “আজকেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ফোন করে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, এই সময়ে কেন্দ্র সরকার অসমের পাশে রয়েছে। প্রস্তুত আছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও। প্রয়োজন পড়লেই অসমে কাজ শুরু করতে পারে তারা।” যদিও হিমন্তের মতে, পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বীরভূমের পর পূর্ব মেদিনীপুর, বোমা বাঁধতে গিয়ে হাতেনাতে গ্রেপ্তার যুবক]

অন্যদিকে জানা গিয়েছে, বন্যার (Assam Flood) জলে ভেসে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। ঘরছাড়া হয়েছেন ৪ লক্ষ মানুষ। পাহাড়ি এলাকাগুলিতে বন্যার জেরে ধস নামারও খবর মিলেছে। রাস্তা থেকে বাড়ি-সবই ভেসে গিয়েছে বন্যার জেরে। বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে রাজ্যের একাধিক নদী। যদিও পরিস্থিতির ভয়াবহতা খানিকটা কমেছে বলেই প্রশাসনের দাবি।

লাগাতার বৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত অসমের (Assam) জনজীবন। ক্রমে এই ‘ভয়াবহ বন্যা’ পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কামরূপ, গোয়ালপারা, ধুবরী, বকসা, শোণিতপুর, বজালি জেলা। সেখানে প্রভাবিত আড়াই লক্ষের উপর মানুষ। বজালি থেকে নলবাড়ি পর্যন্ত আশি হাজারের উপর এবং বরপেটায় সত্তর হাজারের উপর মানুষ বন্যার কবলে পড়েছে।

[আরও পড়ুন: আগেও জলের গভীরে বিপদে পড়েছিল টাইটান! ‘জানতাম একদিন হবেই’, বলছেন প্রাক্তন যাত্রী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.