সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুম্বই থেকে উত্তরপ্রদেশ যাওয়ার পথে পুলিশের হাতে ধৃত পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রাক। পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে এদিন উত্তরপ্রদেশ যাওয়ার পথে ধরা পড়েন ৬৪ জন পরিয়াযী শ্রমিক। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে লকডাউনের সময় এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাওয়ার পথে ধরা পড়েন তারা।
করোনার সংক্রমণ রুখতে পরিযায়ী শ্রমিকদের যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র। সেই নিষেধ অমান্য করে কালোবাজারি করতে এই সময় পথে নেমেছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা। মুম্বই থেকে উত্তরপ্রদেশ পৌঁছে দেওয়ার জন্য মুম্বই থেকে প্রায় ৬৩ জন পরিযায়ী শ্রমিককে এদিন নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল উত্তরপ্রদেশে। মুম্বইয়ের সেকি নাকা থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আমজাদ আলি রেজ্জাক ও মহম্মদ শাহ এই দুই ভাই নিজেদের ট্রাকে করে এই পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে যাচ্ছিল উত্তরপ্রদেশ। তবে শ্রমিকদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাঁরা মাথা পিছু আড়াই হাজার টাকা করে ভাড়া চায়। আপাতত এই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধি ২৬৯ ও ১৮৮ ধারায় মামলা রুজু করা হয় ও তাঁদের আটক করে রাখা হয়। পরিযায়ী শ্রমিকদের উদ্ধার করে তাঁদের খাবার ও জলের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফ থেকে।
[আরও পড়ুন:রাজ্যে দ্বিতীয় করোনার বলি, রবিবার গভীররাতে মৃত্যু উত্তরবঙ্গের মহিলার]
রবিবারই বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রতিটি রাজ্যের সীমান্তকে বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় কেন্দ্র। কারণ, লকডাউনের জেরে পরিযায়ী শ্রমিকরা ভিন রাজ্যে আটকে পড়ায় ও পরে তাঁরা এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাতায়াতের সময় সংক্রমণের আশঙ্কা বৃদ্ধি পেতে পারে বলেই মত চিকিৎসকদের। তাই যে রাজ্যে তারা কাজ করতে গিয়েছিলেন সেই রাজ্যেই তাদের থেকে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সেই রাজ্যের সরকারই তাদের প্রয়োজনীয় খাবার ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করবেন বলে জানান কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই প্রতিটি রাজ্য সরকার এই পরিযায়ী শ্রমিকদের সুবিদার্থে বিভিন্ন প্রকল্প তৈরি করেছেন তাদের সেই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।
[আরও পড়ুন:make my trip-এ করোনার কোপ, চাকরি হারাতে পারেন কমপক্ষে ৪০০ কর্মী]
অন্যদিকে দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। করোনায় আক্রান্ত হয়ে আজ সকালেই পশ্চিমবঙ্গে প্রাণ হারান এক মহিলা। শনিবার রাতে তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়।