Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Greater Noida

শিশুর ভুল চোখে অস্ত্রোপচার! ‘অন্ধ’ চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিলের দাবি পরিবারের

অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে পুলিশের কাছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৪, ২০২৪, ১৩:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৪, ২০২৪, ১৩:২২

options
link
শিশুর ভুল চোখে অস্ত্রোপচার! ‘অন্ধ’ চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিলের দাবি পরিবারের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছোট্ট শিশুটির সমস্যা ছিল বাঁ-চোখে। অস্ত্রোপচার করানোর জন্য ৭ বছরের ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন বাবা-মা। কিন্তু বাঁ-চোখের বদলে চিকিৎসক অপারেশন করলেন ডান চোখের! চিকিৎসায় এমনই বড় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে গ্রেটার নয়ডার এক চিকিৎসক ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে। অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে পুলিশের কাছে।

শিশুটির বাবা নিতিন ভাটির অভিযোগ, কয়েকদিন ধরে ছেলের বাঁ-চোখে সমস্যা হচ্ছিল। অনবরত চোখ থেকে জল পড়ছিল। দেখতেও সমস্যা হচ্ছিল। তাই তাঁরা ছেলেকে নিয়ে গ্রেটার নয়ডার আনন্দ স্পেকট্রাম হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসক, আনন্দ বর্মা পরীক্ষা করার পর জানান, চোখে প্লাস্টিক জাতীয় কিছু আটকে রয়েছে। তাই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। যা করাতে খরচ পড়বে ৪৫ হাজার টাকা।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেই মতো ওই হাসপাতালে ছেলেকে নিয়ে যান নিতিন। গত মঙ্গলবার শিশুটির চোখে অস্ত্রোপচার হয়। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর শিশুটির মা লক্ষ্য করেন ছেলের ডান চোখে ব্যান্ডেজ বাধা। বুঝতে পারেন ভুল চোখে অপারেশন করে দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা ওই চিকিৎসকের কাছে যান। কিন্তু অভিযোগ, ওই চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মীরা তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন। এর পরই থানায় অভিযোগ দায়ের করে ওই শিশুটির পরিবার। চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালটিও সিল করে দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.