সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়াকারকে ((Shraddha Walkar)) শ্বাসরোধ করে খুনের পর তাঁর দেহ ৩৫ টুকরো করেছিল লিভ-ইন পার্টনার আফতাব আমিন পুনাওয়ালা (Aftab Amin Poonawala)। এই ঘটনায় স্তম্ভিত দেশ। এবার সামনে এল একটি সিসিটিভি ফুটেজ। যেখানে কাকভোরে নিজের বাড়ির বাইরে হাঁটতে দেখা গিয়েছে আফতাবকে। তার সঙ্গে দুটি ব্যাগ রয়েছে। পুলিশের অনুমান, ওই ব্যাগের মধ্যেই তার প্রেমিকার দেহাংশ ছিল।
সিসিটিভি ফুটেজটি গত ১৮ অক্টোবর ভোরের বলেই জানা গিয়েছে। ভিডিওয় মুখটি খুব পরিষ্কার বোঝা না গেলেও পুলিশের দাবি, হেঁটে চলা যুবকটি আফতাবই। তার পিঠে একটি ব্যাকপ্যাক ও হাতে একটি ব্যাগ রয়েছে। এই প্রথম এই খুনের মামলায় এমন সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া গিয়েছে।
#WATCH | Shraddha murder case: CCTV visuals of Aftab carrying bag at a street outside his house surface from October 18 pic.twitter.com/S2JJUippEr
— ANI (@ANI) November 19, 2022
[আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতিকে কুমন্তব্য অখিল গিরির, মমতার ক্ষমাপ্রার্থনায় ‘অনুতপ্ত’ তৃণমূল বিধায়ক]
এদিকে আজ, শনিবারই আফতাবের ফ্ল্যাট থেকে ভারী ও ধারালো অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। মনে করা হচ্ছে, ওই অস্ত্রগুলির সাহায্যে প্রেমিকা শ্রদ্ধা ওয়াকারের দেহ টুকরো টুকরো করে কেটেছিল সে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। প্রথম দিকে সেভাবে সহায়তা না করলেও এখন আফতাব যে বহু তথ্যই দিয়েছে তা জানা যাচ্ছে। এমনকী, কোথায় কোন প্রমাণ লোপাট করেছিল তাও পুলিশকে জানিয়েছে সে। এদিন শ্রদ্ধার আরও দুই দেহাংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শ্রদ্ধা ওয়াকারের মৃত্যুর ঘটনায় স্তম্ভিত দেশ। তাঁর দেহ দিল্লি শহরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়েছিল প্রেমিক আফতাব। ১৮ দিন ধরে এই কাজ করে। শ্রদ্ধার ‘অপরাধ’ ছিল প্রেমিককে বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া। অথচ আফতাবকে ভালবেসে পরিবার, চাকরি, শহর ছেড়ে চলে আসেন দিল্লিতে। দু’জনের আলাপ হয়েছিল কল সেন্টারের চাকরি সূত্রে। যদিও বিধর্মীর প্রেমে পড়া পছন্দ ছিল না শ্রদ্ধার পরিবারের। এমন অবস্থায় লিভ-ইন করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রদ্ধা-আফতাব। তাঁরা দিল্লির মেহেরৌলিতে ফ্ল্যাট ভাড়া করে থাকছিলেন।
[আরও পড়ুন: কলেজের পড়াশোনা বন্ধ করে ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির! বিজ্ঞপ্তি দেখে প্রতিবাদে রাস্তায় পডু়য়ারা]
এরই মধ্যে বিজেপি (BJP) নেতা কৌশল কিশোরের দাবি ঘিরে বিতর্ক ঘনিয়েছে। তাঁর দাবি, এই ঘটনার জন্য আসলে দায়ী শ্রদ্ধাই! স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপি নেতার এহেন মন্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর মুখে যে নারীশক্তির জয়গান শোনা যায় তা যদি সত্যি হয় তাহলে তাঁর উচিত অবিলম্বে ওই মন্ত্রীকে বহিষ্কার করা।