Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
কেরল মহারাষ্ট্রের ট্যাবলো বাদ

প্রতিহিংসার রাজনীতি! বাংলার পর বাদ পড়ল কেরল ও মহারাষ্ট্রের ট্যাবলো

বাদ পড়েছে বিহার, দিল্লিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২০, ১৪:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২০, ১৪:২১

options
link
প্রতিহিংসার রাজনীতি! বাংলার পর বাদ পড়ল কেরল ও মহারাষ্ট্রের ট্যাবলো zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লির কুচকাওয়াজে ট্যাবলো নিয়ে বিতর্ক চলছেই। ২৬ জানুয়ারির প্যারেডে কোন কোন রাজ্য ও কোন কোন মন্ত্রকের ট্যাবলো অংশ নেবে, তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। তালিকায় দেখা যায়, অংশগ্রহণকারী ১৬টি রাজ্যের মধ্যে অধিকাংশ বিজেপি অথবা বিজেপি ঘনিষ্ঠ দল শাসিত। বাদ পড়া চার রাজ্যের মধ্যে রয়ে্ছে পশ্চিমবাংলা, কেরল, বিহার ও মহারাষ্ট্র। নাম নেই দিল্লিরও। আর এই বাতিলের তালিকা রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট্ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

কেন্দ্রের নাগরিকত্ব (সংশোধিত) আইন বা CAA, NRC ও NPR নিয়ে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে। চড়া সুরে কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তগুলির বিরোধিতা করেছে কয়েকটি রাজ্য সরকার। সেই বিরোধী সুরের অন্যতম মুখ পশ্চিমবাংলা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এ রাজ্যে CAA, NRC, NPR কার্যকর করা হবে না। আবার নজিরবিহীনভাবে CAA’র বিরুদ্ধে কেরলে বিরোধী ও শাসকদল যৌথভাবে আন্দোলন করছে। এদিকে আবার এই তিন আইন নিয়ে বিহারে বেসুরো গাইছেন NDA-এরই জোটশরিক জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমারও। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই তিন রাজ্যের ট্যাবলোই নেই সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে।

[আরও পড়ুন : কোটার হাসপাতালে বাড়ছে শিশুমৃত্যু, আগের তুলনায় কম বলে সাফাই রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর]

উল্লেখযোগ্যভাবে বাদ পড়েছে মহারাষ্ট্রের ট্যাবলোও। সম্প্রতি আরবসাগর পাড়ের এই রাজ্যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয়েও সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি। বরং তিন দশকের জোটসঙ্গী শিব সেনা কংগ্রেস. এনসিপির হাত ধরে সরকার গড়েছে। ‘প্রতিহিংসা পরায়ন’ হয়েই এই রাজ্যের ট্যাবলো কেন্দ্র সরকার বাদ দিয়েছে বলে অভিযোগ রাজনৈতিক দলগুলির।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[আরও পড়ুন : ‘অনুমতি পেলেই ঢুকব পাক অধিকৃত কাশ্মীরে’, হুঁশিয়ারি সেনাপ্রধান নারাভানের]

এ প্রসঙ্গে এনসিপি নেত্রী সুপ্রিয়া সুলে বলেন, “প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে বিজেপি। মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবাংলা, বিহার, দিল্লির সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ করা হচ্ছে। যা একেবারে অনুচিত।” একই সুর কংগ্রেস, শিবসেনা নেতাদের গলাতেও। যদিও প্রতিহিংসার রাজনীতির কথা মানতে নারাজ কেন্দ্র সরকার। তাঁদের সাফাই, “সময় কম। তাই এবার সমস্ত রাজ্যের ট্যাবলোকে স্থান দেওয়া সম্ভব হয়নি।”    
   

 

 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.