Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশই ‘পাখির চোখ’ রাহুল গান্ধীর

রাজস্থানের ফলাফল অনেকটাই বাড়িয়ে তুলেছে কংগ্রেসের মনোবল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৮, ১০:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৮, ১০:২২

options
link
লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশই ‘পাখির চোখ’ রাহুল গান্ধীর zoom

স্টাফ রিপোর্টার: রাজস্থানের উপনির্বাচনের ফলাফল একধাপে অনেকটাই বাড়িয়ে তুলেছে কংগ্রেসের মনোবল। রাহুল গান্ধীর সভাপতি হওয়ার পর এই প্রথম সরাসরি সংসদীয় আসনের জন্য হওয়া উপনির্বাচনে জয়ী কংগ্রেস। স্বাভাবিকভাবেই রাহুল নিজেই যখন ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের জন্য দিন গোনা শুরু করেছেন, সে সময় দলকে বাড়তি অক্সিজেন জোগানোর জন্য তিনি এই জয়ের হাওয়াকে ধরে রাখতে চাইছেন। যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হল বৃহস্পতিবার বিরোধী দলের বৈঠকে রাহুলের বক্তব্য।

[বাজেটের পরের দিন শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস, আতঙ্কে আমানতকারীরা]

সূত্রের খবর, সংসদের লাইব্রেরি হলে বিরোধীদের বৈঠকে রাহুল উত্তরপ্রদেশের জোট রাজনীতির উপরই জোর দেন। যা অতি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। লোকসভা নির্বাচনে জয়ের জন্য যে উত্তরপ্রদেশের আসন সংখ্যারই বিশেষ ভূমিকা রয়েছে, সেই চিরাচরিত অঙ্ক হিসাব করেই পথ ধরতে চেয়েছেন রাহুল। গত লোকসভা ভোটে উত্তরপ্রদেশের ৮০টি আসনের মধ্যে ৬৯টি আসনই গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে। তাই উত্তরপ্রদেশে তাদের ঠেকানো সহজ নয় বলে মনে করছে অনেকেই। এমনকী, রাহুল স্বয়ং সেটি বুঝে জোট ঐক্যতে জোর দিচ্ছেন। যদিও উত্তরপ্রদেশের ক্ষেত্রে রাহুলের অ্যাসিড টেস্ট হতে পারে গোরক্ষপুর ও ফুলপুরের উপনির্বাচনই। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ছেড়ে আসা লোকসভা আসন গোরক্ষপুরে জয় সহজ না হলেও, ফুলপুর নিয়ে কংগ্রেস খুব আশাবাদী। এর অন্যতম কারণ হল, আসনটি প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর স্মৃতি বহণ করছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যদিও রাহুলের ‘মিশন উত্তরপ্রদেশ’-এর এই জোট বার্তার বৈঠকে গরহাজির ছিলেন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতী। তাঁর কোনও প্রতিনিধিও ছিলেন না। যে মায়াবতী একসময় বিজেপিকে রুখতে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করতেও পিছপা হননি, তিনি রাহুলের বৈঠকে না এসে কী বার্তা দিতে চাইলেন, সে প্রশ্ন উঠছে। তবে কি রাজ্যের রাজনীতি রাজ্যের গণ্ডির মধ্যে থাকার বার্তা দিতে চেয়েছেন বহেনজি? সেই বার্তা কিন্তু উত্তরপ্রদেশে জোট-ভাবনায় ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

[লজ্জা! ‘পদ্মাবত’ দেখতে গিয়ে হলের মধ্যেই ধর্ষিতা যুবতী]

সেই বৈঠকে সোনিয়া গান্ধীও সুর বেঁধে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য। সূত্রের খবর, সোনিয়া বৈঠকের মাঝেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে রাজ্যে উপনির্বাচনে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান। রাজস্থানে উপনির্বাচনে কংগ্রেসের জয়ের জন্য তিনিও পালটা অভিনন্দন জানান সোনিয়াকে। এমনকী, দুই নেত্রীর সম্পর্ক যে খুব ভাল, তা সময়ে সময়ে মমতার বক্তব্যে প্রকাশ পেয়েছে। তাই লোকসভা ভোটে দুই দলের হাত ধরার সম্ভাবনা এখনই উড়িয়ে দিচ্ছে না রাজনৈতিক মহল। কারণ সোনিয়াও জানেন, লোকসভায় কংগ্রেসের পর তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। সে কারণেই তৃণমূলকে আগামী লোকসভা নির্বাচনে পাশে পাওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে কংগ্রেস।

তবে প্রশ্ন একটাই। কেন্দ্র-বিরোধী দলগুলির ঐক্য অটুট থাকলেও তার ফল কী হবে? অতীতে কংগ্রেস বিভিন্ন রাজে্য বিভিন্ন দলের সঙ্গে জোট করেছে। তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ভোটফলও খুব ভাল হয়নি। তবে লোকসভা ভোটের জন্য কংগ্রেস সব কেন্দ্র বিরোধী দলকে এক ছাতায় আনার চেষ্টা করছে, তা শেষপর্যন্ত কতটা সফল হয়, এখন সেটাই দেখার।

[বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ করতে উদ্যোগ সোনিয়ার, নেতৃত্বে কি মমতাই?]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.