Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Mann Ki Baat

‘ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতকে সুপারপাওয়ার বানাবে নতুন ক্রীড়ানীতি’, মন কি বাতে দাবি মোদির

ভারতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রের সার্বিক কাঠামো বদলের লক্ষ্যে নতুন জাতীয় ক্রীড়ানীতি তৈরি করেছে মোদি সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৫, ১৬:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৫, ১৬:৪৯

options
link
‘ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতকে সুপারপাওয়ার বানাবে নতুন ক্রীড়ানীতি’, মন কি বাতে দাবি মোদির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গ্রামের প্রান্তিক মানুষ, দরিদ্র এবং মেয়েদের খেলাধুলোর আঙিনায় আনার লক্ষ্যেই নতুন ক্রীড়ানীতি তৈরি হচ্ছে। মন কি বাত অনুষ্ঠানে দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি দাবি করলেন, নতুন জাতীয় ক্রীড়ানীতি খেলাধুলোকে গ্রামীণ এলাকায় বাসিন্দাদের জীবনযাপনের অঙ্গ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করবে। ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতকে সুপারপাওয়ার হিসাবে তুলে ধরবে এই নতুন ক্রীড়ানীতি।

নিজের মাসিক রেডিও অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গ্রাম, গরিব এবং আমাদের মেয়েরাই খেলো ভারত নীতিতে সবচেয়ে প্রাধান্য পাবেন। স্কুল এবং কলেজগুলি খেলাধুলোকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানিয়ে ফেলবে।” মোদির দাবি, নতুন ক্রীড়া নীতিতে খেলা সম্পর্কিত স্টার্টআপ গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেটা স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের হোক বা ক্রীড়া সরঞ্জাম উৎপাদক সংস্থার স্টার্ট আপ হোক। এই সব স্টার্ট আপকে সাহায্য করবে সরকার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রধানমন্ত্রীর দাবি, বহু প্রান্তিক এলাকার অ্যাথলিট তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সকলেই খেলো ভারত নীতির প্রশংসা করেছেন। এই নীতির উদ্দেশ্য স্পষ্ট, ভারতকে ক্রীড়াক্ষেত্রে সুপার পাওয়ার হিসাবে তুলে ধরা।

সদ্যই ভারতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রের সার্বিক কাঠামো বদলের লক্ষ্যে বড়সড় পদক্ষেপ করেছে মোদি সরকার। জাতীয় ক্রীড়া নীতি (NSP) ২০২৫-এ অনুমোদন দিয়েছে নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভা। ২০০১ সালের যে পুরনো ক্রীড়ানীতি ছিল, সেটাকে বাতিল করে নতুন রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এনএসপি ২০২৫-এর মূল লক্ষ্য ভারতকে বিশ্বের ক্রীড়াজগতে শক্তিশালী করে তোলা ও ২০৩৬-র অলিম্পিক-সহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করা। মহিলা, উপজাতি সম্প্রদায়, বিশেষভাবে সক্ষম ও অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসরদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে এই ক্রীড়ানীতির অধীনে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.