সুব্রত বিশ্বাস: ‘আমার যাওয়ার সময় হল, দাও বিদায়’। লকডাউনে কর্মজীবন থেকে অবসর নেওয়া মানুষজন সহকর্মীদের থেকে এভাবে বিদায় নিতে পারছেন না। এই পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপের জেরে তুমুল সমালোচনার মুখে রাজস্থানে অবস্থিত পশ্চিম-মধ্য রেলের কোটা রেল হাসপাতাল। ঘটনাটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
করোনা হাসপাতালে রূপান্তরিত এই স্থানে এক অ্যাম্বুল্যান্স চালকের অবসর উপলক্ষে হাসপাতালের মধ্যেই চলল পার্টি। সামাজিক দূরত্ব অবজ্ঞা করে ভিতরেই হল মাল্যদান থেকে গিফট প্রদান ও ভাষণবাজি। আর গানবাজনার শেষে চা-নাস্তার আসর। কোভিড হাসপাতালে এহেন আয়োজন চললেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মুখে কুলুপ এঁটেছে।
[আরও পড়ুন: আমফানের পর নতুন বিপর্যয়ের আশঙ্কা, শক্তি বাড়িয়ে ধেয়ে আসছে ‘হাইকা’ ]
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ওই অ্যাম্বুল্যান্স চালকের অবসর উপলক্ষে হাসপাতালে আয়োজন হয় এই পার্টির। হাসপাতালের নার্স, অ্যাটেনডেন্ট ও অন্য কর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কয়েকজন চিকিৎসক। দীর্ঘক্ষণ ধরে সামাজিক দূরত্ব ছাড়াই নানা আয়োজন ও খানাপিনা চলে।
কোভিড হাসপাতালে রূপান্তরিত কোটা রেল হাসপাতালে এহেন আয়োজনে ক্ষিপ্ত রেলকর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, হাসপাতালটি করোনার চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছে। রোগীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অন্যত্র। গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনও হচ্ছে অন্য হাসপাতালে। লকডাউন পরিস্থিতিতে সব রকম অনুষ্ঠান বন্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। সেখানে অনুমতি ছাড়াই এই অনুষ্ঠান কীভাবে হল?