সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন। এখন চলছে তার চতুর্থ পর্যায়। এই পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হেঁটে বাড়ির উদ্দেশে রওয়ান দিয়েছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। রোদ, বৃষ্টি উপেক্ষা করতে অবিরাম চলছে হাঁটা। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য যে রেলের বন্দোবস্ত করা হয়েছে, পর্যাপ্ত নয়। কেউ কেউ আবার রেলের ভরসায় না থেকে নিজের পায়ের ভরসাতেই বেরিয়ে পড়েছে। সেই সব শ্রমিকদের পাশে এবার দাঁড়াল অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ।
দেশের দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে এখন তাপমাত্রা বেশ বেশি। কিন্তু বাড়ি ফেরার তাগিদে কাঠফাটা রোদের মধ্যেই হাঁটছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে তামিলনাড়ু, কর্ণাটক ও তেলেঙ্গানার উদ্দেশে রওয়ান দিয়েছেন কয়েক হাজার শ্রমিক। রাস্তায় যাতে তাঁদের কোনও অসুবিধা না হয় তাই রাজ্য পুলিশের তরফ থেকে তাঁদের সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যাতে কোনও পরিযায়ী শ্রমিক ক্ষুধার্ত না থাকে এবং কোনও রকম বাধার মুখোমুখি না হয়, তা নিশ্চিত করতে কমিশনার ডি তিরুমাল রাও এবং তার বাহিনী এগিয়ে এসেছেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের চপ্পল সরবরাহ করছেন তাঁরা। এছাড়া প্রখর রোদ ও গরমে শ্রমিকদের জন্য পুলিশ খাবার, জল, বাটার মিল্কের একটি স্টল সাজিয়েছে। সেখান থেকে শ্রমিকদের জুতা ও চপ্পল দেওয়ার পাশাপাশি এগুলিও সরবরাহ করা হচ্ছে।
[ আরও পড়ুন: অমানবিক! হাসপাতালের সিঁড়িতে শুয়ে আর্তনাদ করোনা সন্দেহে ভরতি হতে আসা রোগীর ]
পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পায়ে হেঁটে যাঁরা বাড়ি ফিরছেন, সেই সব শ্রমিকদের বেশিরভাগেরই পায়ে জুতো নেই। এটি লক্ষ্য করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবা হয়। পুলিশ কর্তৃক তাঁদের বিনামূল্যে চপ্পল সরবরাহ করা হচ্ছে। পুলিশের তরফেই কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবীর কাছে আবেদন করা হয়েছিল। তাঁরাই শ্রমিকদের জন্য এগুলির ব্যবস্থা করতে সহায়তা করেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের খাবার ও জল সরবরাহের জন্য ন্যাশনাল হাইওয়ের পাশে চেকপোস্টের কাছে ৭৯টি ফুড কাউন্টারেরও আয়োজন করা হয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্ত রকম সাহায্যেরও আশ্বাস দিয়েছে অন্ধ্র পুলিশ।